কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারন সভা সোমবার (২৪আগষ্ট ) উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে হলরুমে অনুষ্টিত হয় । বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাঁশখালী সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি। সভায় প্রধান অতিথির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি সম্প্রতি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম তুলে ধরে বলেন, সবকাজে দলীয়করণ নয়,স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ দিতে হবে।
আমরা বাঁশখালীতে স্বচ্ছ নিয়োগের প্রত্যাশা করেছিলাম কিন্তু পাইনি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দলীয়করণ নয়; যোগ্যতা, মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
সরকার নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সিসি ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি যে কোন প্রজেষ্ট গ্রহন ও নিয়োগে অনিয়ম না করার জন্য আহবান জানান এবং বলেন, কিন্তু দুঃখজনকভাবে, কোনো কোনো পরীক্ষায় আমরা আবারও নকলের প্রবণতায় ফিরে যাচ্ছি।
বরাদ্দ ও নিয়োগ নিয়ে কোন ধরনের দলীয়করণ আর সহ্য করবোনা, এটি আর বাঁশখালীতে চলবেনা।
বিএনপির সাথে সংসার করতেছি, তারপরও বাঁশখালীর বিএনপির এমন কর্মকান্ড খুবই দুঃখজনক।
তিনি বলেন, বিএনপি মিছিল করলে কি জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ হয়ে যাবে? আওয়ামীলীগের মত সংগঠন যেটা পারেনি,তারা এই কাজ করতে গিয়ে নিজেরাই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। এই কাজ বিএনপি কি ভাবে করবে? তাদের কেয়ামত হয়ে যাবে!
সাবধান করে দিচ্ছি! এই দেশ আমাদের সবার, তাই সবার সমান অধিকার রয়েছে।
আসুন বৈষম্য বাদদিয়ে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামুলক দেশ এবং জাতির কল্যাণে কাজ করি দেশ এগিয়ে যাবে।
এসময় তিনি যে সব কর্মকর্তা দলীয়করণ ও নিজেদের ইচ্ছে মাফিক কাজ করছে তাদের সাবধান সহ বদলী হয়ে যেতে বলেন। সভায় সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তা এবং ১৪টি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য বাঁশখালী সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সহকারী সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ফেব্রয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।