শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৩ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চোখের জন্য গাজর কতটা উপকারী?

শৈশব থেকেই অনেকের কাছে একটি প্রচলিত কথা হলো—গাজর খেলে চোখের দৃষ্টি ভালো হয় এবং চশমার প্রয়োজন কমে যায়। গাজর নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর একটি সবজি, তবে এটি খাওয়ার ফলে দৃষ্টিশক্তি কতটা উন্নত হয়, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা রয়েছে।

গাজরে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। চোখের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভিটামিন এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কম আলোতে দেখার ক্ষমতা ঠিক রাখতে এটি রেটিনাকে সহায়তা করে এবং চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

advertisement

তবে এর মানে এই নয় যে, নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে গাজর খেলে কারও দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে যাবে কিংবা চশমা ছাড়াই দেখা সম্ভব হবে। শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতির কারণে যে দৃষ্টিজনিত সমস্যা তৈরি হয়, তা প্রতিরোধে গাজর উপকারী হতে পারে। কিন্তু চোখের আকৃতি বা প্রতিসরণজনিত সমস্যার কারণে হওয়া ক্ষীণদৃষ্টি, দূরদৃষ্টি বা অন্য কোনো দৃষ্টিসংক্রান্ত ত্রুটি গাজর খেয়ে দূর করা যায় না।

যাদের শরীরে ভিটামিন এ-এর মাত্রা ইতোমধ্যেই পর্যাপ্ত, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গাজর খেলে চোখের ক্ষমতা আরও বেড়ে যায় না। তবে প্রতিদিনের সুষম খাদ্যতালিকায় গাজর রাখা শরীরের জন্য ভালো, কারণ এতে রয়েছে আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ত্বকের সুস্থতায় সহায়তা করে।

advertisement

অনেক বেশি পরিমাণে দীর্ঘদিন গাজর খেলে ত্বকে হলুদ বা কমলা রঙের আভা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাকে ক্যারোটেনেমিয়া বলা হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং গাজর খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

চোখের ভালো স্বাস্থ্যের জন্য শুধু গাজরের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। লুটেইন ও জিয়াজ্যান্থিনসমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত মাছ ও আখরোট, এবং ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার চোখের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

advertisement

অতএব, গাজর চোখের জন্য উপকারী হলেও এটি কোনো অলৌকিক খাবার নয়। এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে দেয় না বা চশমার প্রয়োজনীয়তা দূর করে না। চোখ সুস্থ রাখতে সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত যত্ন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • সর্বশেষ