শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৬:২২ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৃষ্টিতে ভিজলেই কি ঘামাচি কমে? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

বর্ষাকালে অনেকেরই বিশ্বাস, বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঘামাচি কমে এবং ত্বকের নানা সমস্যা দূর হয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এ ধারণার পেছনে পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং ঘামাচি কমার মূল কারণ বৃষ্টির পানি নয়, শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত গরমে ঘর্মগ্রন্থির নিঃসরণে বাধা বা প্রদাহের কারণে ঘামাচি হয়। বৃষ্টির পানি তুলনামূলক ঠান্ডা হওয়ায় শরীর শীতল হয় এবং সাময়িকভাবে ঘামাচির জ্বালাপোড়া কমে। একই উপকার সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়েও পাওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘামাচির সমস্যা থাকলে ঠান্ডা পানিতে গোসল, আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানি ঢালা বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে আরাম মিলতে পারে। মাটির কলসের ঠান্ডা পানিও এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।

অন্যদিকে, বৃষ্টিতে ভেজার পর গোসল করা উচিত বলেও পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পালের ভাষ্য, বৃষ্টিতে ভেজার পর গোসল করলে ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে শহরের দূষিত বাতাসে থাকা ধুলাবালি, রাসায়নিক ও অ্যাসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে ত্বকে জমতে পারে। এসব উপাদান ত্বকে র্যাশ, অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তাই পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করে সেগুলো ধুয়ে ফেলা ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানির কোনো বিশেষ গুণে ঘামাচি সেরে যায় না। শরীর ঠান্ডা হওয়াই এর মূল কারণ। তাই বৃষ্টিতে ভিজুন বা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন—দুই ক্ষেত্রেই সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। তবে ত্বকে অস্বাভাবিক র্যাশ, চুলকানি বা সংক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  • সর্বশেষ