শিরোনাম
◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত ◈ মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:২৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে টাকার ব্যবহার বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে টাকার মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায় বিদেশি ট্রেডিং পার্টনার ব্যাংকের নামে কোনো প্রারম্ভিক জমা ছাড়াই ‘টাকা ভস্ট্র অ্যাকাউন্ট’ খোলা ও পরিচালনা করা যাবে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে সার্কুলার নং-৩৮ জারি করে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. আবু বক্কার সিদ্দিক এতে সই করেন।

advertisement

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সহজ করতে বিদেশি ট্রেডিং পার্টনার ব্যাংকের নামে ‘টাকা ভস্ট্র অ্যাকাউন্ট’ খোলা ও পরিচালনা করা যাবে। এজন্য কোনো প্রারম্ভিক জমার প্রয়োজন হবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এলসি, চুক্তি ও ইনভয়েস অবাধে রূপান্তরযোগ্য মুদ্রায় করা যাবে। তবে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় তা প্রচলিত বিনিময় হারে টাকায় রূপান্তর করতে হবে।

advertisement

এছাড়া অংশীদার দেশের ব্যাংকগুলোর সঙ্গে ব্যাংকিং নথিপত্রের আদান-প্রদান ও যোগাযোগ নিরাপদ, দ্রুত এবং দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে।

আমদানিকারকদের স্থানীয় ব্যাংকিং চ্যানেল অথবা সংশ্লিষ্ট ভস্ট্র অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পত্তি করতে হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এসব হিসাবের বিপরীতে ওভারড্রাফট সুবিধাও দেওয়া যাবে।

advertisement

বিদেশি ব্যাংকের ভস্ট্র অ্যাকাউন্টে থাকা উদ্বৃত্ত অর্থ বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই), পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট, অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড এবং ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা যাবে।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের পাওনা পরিশোধ কিংবা বিদেশে রেমিট্যান্স হিসেবেও ওই অর্থ পাঠানো যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও বলেছে, আমদানি ও রপ্তানি লেনদেনের ক্ষেত্রে যথাক্রমে আইএমপি ও এক্সপি ফর্মসংক্রান্ত বিদ্যমান বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। একই সঙ্গে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে (এএমএল/সিএফটি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং গ্রাহক সম্পর্কে যথাযথ তথ্য যাচাই বা ‘নো ইউর কাস্টমার’ (কেওয়াইসি) নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, যেসব দেশ অবাধে রূপান্তরযোগ্য নয় এমন স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন করতে আগ্রহী, সেসব দেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নিয়ে বিদেশি নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট বজায় রেখে লেনদেন নিষ্পত্তি করা যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন এ নির্দেশনার ফলে স্থানীয় মুদ্রা টাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেনের সুযোগ আরও বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সর্বশেষ