শিরোনাম
◈ কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ায় ৫ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন, মিলছে ১৭৯ মেগাওয়াট ◈ চট্টগ্রামে শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ◈ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আইএমএফের শর্ত কতটা চ্যালেঞ্জের? ◈ ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সকে হাসিনা ◈ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ: ৪১৮ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার, নতুন ১৩ উপজেলায় হাসপাতাল ◈ উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে ◈ টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পাঁচ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, কয়েক জেলায় বন্যা শঙ্কা ◈ জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, চরম সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও নিরাপদে সরানো হচ্ছে মানুষ ◈ নতুন দুই নদী বন্দর ঘোষণা করেছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৩৭ বিকাল
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৃষ্টি আর ঘুমের অদ্ভুত সম্পর্ক, যা বলছে বিজ্ঞান

বৃষ্টি নামলেই চারপাশে যেন ছড়িয়ে পড়ে এক শান্ত, স্নিগ্ধ আর আরামদায়ক আবহ। অনেকেরই তখন চোখে ভর করে ঘুম, কাজের চেয়ে বিছানাই বেশি টানে। ‘বৃষ্টি হলেই ঘুম পায়’—এ অভিজ্ঞতা নতুন কিছু নয়; বরং অধিকাংশ মানুষই এমন অনুভূতির সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, বৃষ্টির দিনে কেন এত বেশি ঘুম ঘুম লাগে? এর পেছনে রয়েছে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।

চলুন দেখে নেওয়া যাক, বৃষ্টির দিনে কেন ঘুম পায় বেশি:

১. সূর্যালোকের অভাব

বৃষ্টির দিনে সূর্য দেখা যায় না বললেই চলে। এই আলো কমে যাওয়ায় শরীরের ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ বা দেহঘড়ি বিঘ্নিত হয়। ফলে ঘুমানোর সময়ের সঙ্গে জাগ্রত থাকার সময় গুলিয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে আমাদের ঘুমে। কম আলোতে শরীর ঘুমের সংকেত পায়।

২. ঠান্ডা ও আরামদায়ক আবহাওয়া

বৃষ্টির সময় তাপমাত্রা কমে যায়। ঠান্ডা, স্যাঁতস্যাঁতে এবং আরামদায়ক পরিবেশ আমাদের শরীরকে শিথিল করে দেয়, যার ফলে ঘুমঘুম ভাব চলে আসে। বিজ্ঞান বলছে, ঘুম ভালো হয় ঠান্ডা পরিবেশে—আর বৃষ্টি সেটাই এনে দেয়।

৩. বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ

বৃষ্টির একটানা ‘টুপটাপ’ শব্দ একটি প্রাকৃতিক হোয়াইট নয়েজ। এ ধরনের শব্দ মনকে প্রশান্ত করে, বাইরের বিরক্তিকর শব্দ চাপা দেয় এবং ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ নিঃসরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৪. বাতাসে চাপ ও অক্সিজেনের পরিবর্তন

বৃষ্টির সময় বায়ুচাপ কমে যায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ে। এসব পরিবর্তন আমাদের স্নায়ু ব্যবস্থায় ঘুমঘুম ভাব তৈরি করে। আবার অনেক সময় এসময় বাতাসে বেশি পরিমাণ ‘নেগেটিভ আয়ন’ থাকে, যা শরীরকে আরাম দেয়।

৫. মানসিক প্রশান্তি ও অলসতা

বৃষ্টির ছন্দ, প্রকৃতির সজল রূপ এবং চারপাশের নীরবতা মনকে শান্ত করে দেয়। কাজের তাড়া কম থাকলে অবচেতনেই অলসতা ও ঘুম চলে আসে। বিশেষ করে ছুটির দিন বা শুয়ে বসে থাকার সময় এই ঘুম আরও বাড়ে।

বৃষ্টির দিনের ঘুম আসা প্রকৃতির একটা মায়াবী ডাক। শরীর আর মন—দুটোই শান্তির খোঁজে থাকে এমন দিনে। তবে কাজ থাকলে একটু সচেতন হলে বৃষ্টির ঘুমঘুম ভাব সামলানো সম্ভব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়