শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি দলে কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনীতির দিকে যাচ্ছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্ন চাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম কক্সবাজার মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর রাস্তা নিয়ে সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

মাতামুহুরি ও বাকখালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া রামু ও মাতামুহুরি উপজেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেংগে গিয়ে মাতামুহুরি নদীর ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে এই ৪উপজেলার ১০০ টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন।

পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া উপজেলার কাকারা, কৈয়ারবিল, লক্ষারচর ফাশিয়াখালী ইউনিয়ন  মাতামুহুরি উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা, বিএমচর ইউনিয়ন পেকুয়া উপজেলার সদর, পৌরসভা মেহেরনামা ও শীলখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল রাতে হঠাৎ করে মেহেরনামা এলাকায় মাতামুহুরি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেংগে যায়। এতে নদীর পানি ঢুকে আশেপাশের গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়ে । মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Advertisement

অপরদিকে রামু উপজেলার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, রাজারকুল ইউনিয়ন বিভিন্ন গ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বাকখালী নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ী ঢলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ায় জেলার অন্তত দেড় লক্ষাধিক মানুষ দূর্ভোগে পড়েছে।

এদিকে টানা বর্ষনের কারণে বেড়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কা। আজও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্কতা জারী করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে কক্সবাজারে পাহাড় ধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা নারী শিশুসহ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পানিতে ডুবে মারা গেছে তিন শিশু।

  • সর্বশেষ