শিরোনাম
◈ ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় পরিকল্পনা ◈ বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবুয়ে‌কে নি‌য়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের সূচি প্রকাশ কর‌লো আফগা‌নিস্তান ◈ সুইসাইড নোট পোস্টের পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা মেঘমল্লার ◈ ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ◈ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি‌তে কাজাখস্তানকে হা‌রি‌য়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ◈ আগামী ১২ সে‌প্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বি‌শেষ অ‌ভিযান ◈ রোনাল্ড কোমান গোলকিপার হয়েও জোড়া গোল কর‌লেন  ◈ বর্জ্য সুতা আমদানিতে নতুন শর্ত, ব্যাংক গ্যারান্টিতে মিলবে ১০–৩০ কাউন্টের অনুমতি ◈ জবিতে বোরকা পরে নারীর ছদ্মবেশে পুরুষ, নেপথ্যে কারণ যা জানাগেল ◈ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এমআরপি বন্ধ, শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর পথে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২৩ দুপুর
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বাস্থ্যকর বলে খাওয়া খাবারও হার্টের জন্য হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ

স্বাস্থ্যকর বলে ডাকা অনেক খাবারে আপনার হার্টের জন্য আশ্চর্যজনক ঝুঁকি লুকিয়ে থাকতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনার নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে অথবা হৃদরোগের কারণে ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দিমিত্রি ইয়ারানোভ একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে এই বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। সবাই যে খাবারগুলোকে স্বাস্থ্যকর বলে অভিহিত করে তা আসলে আপনার হার্টের ক্ষতি করতে পারে। আমাদের হৃদপিণ্ড, কিডনি এবং ওষুধ শরীরের লবণ, পটাসিয়াম এবং বিপাক নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি পরিবর্তন করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে, যেগুলো আসলে হার্টের জন্য ক্ষতিকর-

১. কলা

কলা সমৃদ্ধ পটাসিয়াম সমৃদ্ধ মিষ্টি স্বাদের ফল। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যাদের কিডনির কার্যকারিতা দুর্বল বা যারা স্পিরোনোল্যাকটোন বা অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর নেপ্রিলাইসিন ইনহিবিটরস (ARNI) এর মতো পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে কলা থেকে পটাসিয়াম কার্যকরভাবে নির্গত না-ও হতে পারে। অতিরিক্ত পটাসিয়াম রক্তপ্রবাহে জমা হতে পারে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

২. পালং শাক

পালং শাক ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ, যা সাধারণত একটি সুপারফুড হিসাবে পরিচিত। তবুও এর উচ্চ পটাসিয়াম উপাদান সেই ব্যক্তিদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে যাদের অঙ্গ বা ওষুধ ইলেক্ট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত করে। পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন কে থাকে, যা ওয়ারফারিন থেরাপির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলেছে যে, অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে, ভিটামিন কে গ্রহণের আকস্মিক বৃদ্ধি বা হ্রাস INR নিয়ন্ত্রণকে অস্থিতিশীল করতে পারে, যার ফলে রক্তপাত বা জমাট বাঁধার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৩. জাম্বুরা

আম্বুরা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তবে এতে ফুরানোকুমারিনও রয়েছে যা CYP3A4 দমন করে, যা লিভার এবং অন্ত্রের একটি মূল এনজাইম, এটি অনেক কার্ডিয়াক ওষুধ বিপাক করতে সাহায্য করে।  আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে যখন মানুষ নির্দিষ্ট কিছু স্ট্যাটিন বা ক্যালসিয়াম-চ্যানেল ব্লকার গ্রহণ করে, তখন জাম্বুরা সিস্টেমিক ওষুধের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলে বিষাক্ততা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিপজ্জনক মিথস্ক্রিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৪. সয়া সস

সারা বিশ্বে খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য সয়া সস ব্যবহার করা হয়, কিন্তু হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উচ্চ সোডিয়ামের কারণে অল্প পরিমাণেও এটি বিপজ্জনক হতে পারে। ইউরোপীয় হার্ট জার্নাল দ্বারা প্রকাশিত একটি গবেষণায় সোডিয়ামের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে; অতিরিক্ত  সোডিয়াম শরীরকে পানি ধরে রাখতে বাধ্য করে, রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা ঝুঁকিপূর্ণ হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ বাড়ায়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

  • সর্বশেষ