শিরোনাম
◈ গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ৩৩০ সন্ত্রাসীর চট্টগ্রামে প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ, গণবিজ্ঞপ্তি জারি ◈ ঢাকা ক‌্যা‌পিটাল‌সের বিদায়, ‌বি‌পিএ‌লের প্লে-অফে রংপুর রাইডার্স  ◈ ইসরায়েলি সমর্থকদের মা‌ঠে ঢুক‌তে না দেয়ায় চাকরি হারালেন ব্রিটিশ পুলিশ কর্মকর্তা ◈ আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশের ভিসা পাননি ◈ তামিম ইকবাল, বিসিবি ও কোয়াব ত্রিমুখী সংকটের নেপথ্যে রাজনীতি  ◈ চট্টগ্রামে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা ◈ কুমিল্লা-৪: হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বহাল, অবৈধই থাকল বিএনপি প্রার্থীর ◈ ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান ◈ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিটামিন ডি-এর উৎস কি শুধুই রোদ? জেনে নিন কোন সময়ে, কীভাবে রোদে থাকলে উপকার মিলবে

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়