শিরোনাম
◈ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বিতর্কে ইসির নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ হাসনাত আব্দুল্লাহর (ভিডিও) ◈ গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ৩৩০ সন্ত্রাসীর চট্টগ্রামে প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ, গণবিজ্ঞপ্তি জারি ◈ ঢাকা ক‌্যা‌পিটাল‌সের বিদায়, ‌বি‌পিএ‌লের প্লে-অফে রংপুর রাইডার্স  ◈ ইসরায়েলি সমর্থকদের মা‌ঠে ঢুক‌তে না দেয়ায় চাকরি হারালেন ব্রিটিশ পুলিশ কর্মকর্তা ◈ আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশের ভিসা পাননি ◈ তামিম ইকবাল, বিসিবি ও কোয়াব ত্রিমুখী সংকটের নেপথ্যে রাজনীতি  ◈ চট্টগ্রামে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা ◈ কুমিল্লা-৪: হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বহাল, অবৈধই থাকল বিএনপি প্রার্থীর

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমতলীর পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ীর সামনের আয়রন ব্রীজটি মরনফাঁদে পরিনত

জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ী সলগ্ন আয়রন ব্রীজটি পশ্চিম চিলা ছেনাউঠা খাসতবকসহ ৩ গ্রামের কয়েকশত মানুষের জন্য মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ বিগত ৯ বছরেও ব্রিজটি সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ব্রীজের ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ মাটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। দ্রুত ব্রীজটি সংস্কার অথবা ভাঙ্গাচুরা ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে হালকা যান প্রকল্পের আওতায় বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা গ্রামের ডাকুয়া বাড়ীর সামনের খালে আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে। ব্রীজটির মধ্যেখান ২০১৬ সালে ভেঙ্গে যায়।

গত ৯ বছর ধরে ব্রীজটি ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে পরায় পশ্চিমচিলা ছোনাউঠা, খাসতবক এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম দূর্ভোগে পরেছে। নিরুপায় হয়ে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ব্রীজের উপরে কাঠ বাঁশ দিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় প্রকৌশলী বিভাগকে জানানো হলেও তারা গত ৯ বছরেও ব্রীজ সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রীজটির মধ্যখানের অংশ ভাঙ্গা। স্থানীয়রা ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, ব্রিজটি ভেঙ্গে পরে যাওয়ার পর একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসকে জানিয়েছি তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে এই ব্রীজ দিয়ে মানুষের চলাচল ও কৃষকের উৎপাদিত পন্য আনা নেওয়া মুশকিল হয়ে পরেছে। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভানা রয়েছে। ব্রীজটির ভেঙ্গে যাওয়া মালামাল সরিয়ে নিলে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে খালে বাধ দিয়ে তাদের উৎপাদিত মালামালসহ শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারবে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী মুঠোফোনে বলেন সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন ওই ব্রীজটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়