শিরোনাম
◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও) ◈ এবার টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, হামলার দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমতলীর পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ীর সামনের আয়রন ব্রীজটি মরনফাঁদে পরিনত

জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ী সলগ্ন আয়রন ব্রীজটি পশ্চিম চিলা ছেনাউঠা খাসতবকসহ ৩ গ্রামের কয়েকশত মানুষের জন্য মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ বিগত ৯ বছরেও ব্রিজটি সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ব্রীজের ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ মাটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। দ্রুত ব্রীজটি সংস্কার অথবা ভাঙ্গাচুরা ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে হালকা যান প্রকল্পের আওতায় বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা গ্রামের ডাকুয়া বাড়ীর সামনের খালে আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে। ব্রীজটির মধ্যেখান ২০১৬ সালে ভেঙ্গে যায়।

গত ৯ বছর ধরে ব্রীজটি ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে পরায় পশ্চিমচিলা ছোনাউঠা, খাসতবক এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম দূর্ভোগে পরেছে। নিরুপায় হয়ে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ব্রীজের উপরে কাঠ বাঁশ দিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় প্রকৌশলী বিভাগকে জানানো হলেও তারা গত ৯ বছরেও ব্রীজ সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। 

Advertisement

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রীজটির মধ্যখানের অংশ ভাঙ্গা। স্থানীয়রা ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, ব্রিজটি ভেঙ্গে পরে যাওয়ার পর একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসকে জানিয়েছি তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে এই ব্রীজ দিয়ে মানুষের চলাচল ও কৃষকের উৎপাদিত পন্য আনা নেওয়া মুশকিল হয়ে পরেছে। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভানা রয়েছে। ব্রীজটির ভেঙ্গে যাওয়া মালামাল সরিয়ে নিলে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে খালে বাধ দিয়ে তাদের উৎপাদিত মালামালসহ শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারবে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী মুঠোফোনে বলেন সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন ওই ব্রীজটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সর্বশেষ