শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমতলীর পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ীর সামনের আয়রন ব্রীজটি মরনফাঁদে পরিনত

জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ী সলগ্ন আয়রন ব্রীজটি পশ্চিম চিলা ছেনাউঠা খাসতবকসহ ৩ গ্রামের কয়েকশত মানুষের জন্য মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ বিগত ৯ বছরেও ব্রিজটি সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ব্রীজের ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ মাটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। দ্রুত ব্রীজটি সংস্কার অথবা ভাঙ্গাচুরা ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে হালকা যান প্রকল্পের আওতায় বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা গ্রামের ডাকুয়া বাড়ীর সামনের খালে আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে। ব্রীজটির মধ্যেখান ২০১৬ সালে ভেঙ্গে যায়।

গত ৯ বছর ধরে ব্রীজটি ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে পরায় পশ্চিমচিলা ছোনাউঠা, খাসতবক এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম দূর্ভোগে পরেছে। নিরুপায় হয়ে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ব্রীজের উপরে কাঠ বাঁশ দিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় প্রকৌশলী বিভাগকে জানানো হলেও তারা গত ৯ বছরেও ব্রীজ সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রীজটির মধ্যখানের অংশ ভাঙ্গা। স্থানীয়রা ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, ব্রিজটি ভেঙ্গে পরে যাওয়ার পর একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসকে জানিয়েছি তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে এই ব্রীজ দিয়ে মানুষের চলাচল ও কৃষকের উৎপাদিত পন্য আনা নেওয়া মুশকিল হয়ে পরেছে। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভানা রয়েছে। ব্রীজটির ভেঙ্গে যাওয়া মালামাল সরিয়ে নিলে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে খালে বাধ দিয়ে তাদের উৎপাদিত মালামালসহ শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারবে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী মুঠোফোনে বলেন সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন ওই ব্রীজটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সর্বশেষ