শিরোনাম
◈ ‘বিন লাদেনের মতো দাউদ ইব্রাহিমও পাকিস্তানে লুকিয়ে আছেন’, জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে ভারতের জবাব ◈ হঠাৎ ইরান সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের বিশাল সামরিক অভিযান, শক্তি প্রদর্শনে নতুন তৎপরতা ◈ হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে দাকোপ থেকে নৌপথে মোংলা বন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ সৌদিতে হামলার উত্তেজনার মধ্যেই দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু রাখল বিমান, গেলেন ৩৭৯ যাত্রী ◈ সাজেকে সড়ক অবরোধ ঘিরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আটকা পড়েন পর্যটকরা ◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের পুরোনো বাস অপসারণসহ সরকারের যে চার উদ্যোগ ◈ ইরানের জনগণের অধিকার মেনে নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, বন্ধ করতে হবে আগ্রাসন ও দাদাগিরি: প্রেসি‌ডেন্ট পে‌জেশ‌কিয়ান ◈ সৌদি আরব থেকে মার্কিন কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ শেষ মুহূর্তের গোলে বায়ার্নের মাঠে পয়েন্ট উদ্ধার আর্সেনালের ◈ এবার ইতা‌লির ক্লাব কোমোর কা‌ছে হারলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

প্রকাশিত : ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:২৩ দুপুর
আপডেট : ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হঠাৎ ইরান সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের বিশাল সামরিক অভিযান, শক্তি প্রদর্শনে নতুন তৎপরতা

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সীমান্ত পর্যন্ত উড়ে গিয়ে ফিরে এসেছে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ডজনখানেক যুদ্ধবিমান। গত সোমবারের এ অভিযানে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও অংশ নেয়। 

ইসরাইলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। 

এমন এক সময়ে এই সামরিক তৎপরতা চালানো হলো, যখন ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতেই দানা বাধছে রহস্য।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি দূরে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল ইরানকে সামরিক শক্তির বার্তা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। তবে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইসরাইল সফরের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। সোমবারই ইসরাইলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন হেগসেথ।

Advertisement

সূত্রগুলোর তথ্যমতে, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা অতিক্রম করে ইরানের সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। তাদের উড্ডয়নপথ ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার জন্য ব্যবহৃত পথের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে ইরানের সীমান্তের কাছে পৌঁছানোর পর বিমানগুলো দিক পরিবর্তন করে ইসরাইলে ফিরে আসে।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা এই অভিযানকে নিয়মিত সামরিক মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে সতর্ক করা এবং ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা। তবে এ ধরনের অভিযান থেকে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

ইরান যদি যুদ্ধবিমানগুলোকে আসন্ন হামলার প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করে পাল্টা পদক্ষেপ নিত, তাহলে পরিস্থিতি নতুন করে যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারত।

তবে অভিযানটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তার মধ্যে ভিন্ন ধরনের সন্দেহও তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, ইসরাইল জানত যে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তাদের যুদ্ধবিমানগুলোর গতিবিধি শনাক্ত করতে পারবে।

সূত্রগুলোর দাবি, অভিযান শুরুর আগেই ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি জানিয়েছিল। ইসরাইল এটিকে প্রশিক্ষণ মহড়া হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিল, এর উদ্দেশ্য ছিল সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে ইরানকে ইসরাইলে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখা।

তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, ইসরাইল হয়তো আশা করেছিল, ইরান যুদ্ধবিমানগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালানোর যুক্তি তৈরি হতে পারত।

  • সর্বশেষ