ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ভারত ব্যাপক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। অল্প সময়ের মধ্যে নতুন সেনাঘাঁটি, সেনা স্টেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) কমান্ড সেন্টার, ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা এবং বহুস্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। প্রায় ২২ কিলোমিটার চওড়া এই সরু ভূখণ্ড ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সাথে যুক্ত করেছে। এই তৎপরতা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ----সূত্র, নয়াদিগন্ত
সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থা, ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের এত কাছে উচ্চপ্রযুক্তির স্থাপনা ও নতুন ফরওয়ার্ড বেস দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সীমান্তবাসীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সম্পর্ক স্বাভাবিক বলা হলেও সীমান্তের এক কিলোমিটারের মধ্যে স্থায়ী সেনাঘাঁটি কেন- এ প্রশ্নে বাংলাদেশ সরকার বা সশস্ত্রবাহিনীর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সংগৃহীত তথ্যে পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রখ্যাত নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব:) ফজল এ এলাহী আকবর বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী সীমান্তের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা নির্মাণকাজ করতে হলে প্রতিবেশী দেশকে আগে জানাতে হয়। সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কোনো অবকাঠামো গড়ে তোলা কিংবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এটিই আন্তর্জাতিক রীতি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে সীমান্ত থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যেই এ ধরনের কাজ হচ্ছে। ভারত যদি তা করে থাকে, তাহলে বাংলাদেশকে অবশ্যই কঠোর প্রতিবাদ জানাতে হবে। প্রতিবাদ না জানালে এটি একধরনের নীরব সম্মতি হিসেবে গণ্য হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ভারত আগে থেকে বাংলাদেশকে অবহিত করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যদি অবহিত না করে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের উচিত জোরালো প্রতিবাদ জানানো এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা।
পুরো বিষয়টি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো ভারতের দায়িত্ব ছিল বলেই তিনি মনে করেন। ফজল এ এলাহী আকবরের মতে, ভারত কোনো সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা বা সুযোগ পাবে না। তিনি বলেন, &ls