শিরোনাম
◈ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ বিদেশী শ্রমিক কমাচ্ছে মালয়েশিয়া, অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার! ◈ দখল-দূষণে মরছে ঢাকার খাল, দেড় বছর ধরে বন্ধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ◈ দিলারা জামানের বাড়ি দখলের সত্যতা নেই! আসল ঘটনা জানালেন অভিনেত্রী নিজে ◈ কক্সবাজারে ৪ হোটেলে ২৮০ অনলাইন ‘জুয়া-প্রতারণার ল্যাব’! ◈ দুই লাখ টাকা ঋণের কিস্তি দিতে দেরি হলে বাড়িতে নোটিশ- মামলা, বড় ঋণ খেলাপিরা কেন শাস্তি পায় না? ◈ শেষ পর্যন্ত হে‌রেই গে‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের বিকল্প খুঁজছে সরকার, ভরসা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ◈ আর্থিক বিশ্বের নতুন শক্তি হংকং, পেছনে ফেলতে পারে নিউইয়র্ক-লন্ডনকে ◈ শিক্ষার বেহাল দশা নিয়ে আন্দোলনে শিশুরা, ভারতে জেন আলফার উত্থান

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৩১ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনৈতিক তহবিল মামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড

রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন একজন রাজনৈতিক ব্রোকারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২৭ কোটি ওন (প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার) মূল্যের জনমত জরিপ সেবা গ্রহণ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউন মোট ১৪ বার এই ফ্রি জরিপ সুবিধা নেন এবং এর বিনিময়ে পরবর্তীতে ওই ব্রোকারকে সুবিধা দিতে একজন সাবেক সংসদ সদস্যের মনোনয়নে নিজের প্রভাব খাটান।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ৬৫ বছর বয়সি ইউন। তার দাবি, তিনি কখনোই এই ধরনের কোনো জরিপের অনুরোধ করেননি এবং এর বিনিময়ে কাউকে কোনো সুবিধাদানের প্রতিশ্রুতিও দেননি। সোমবারের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কোন-হি-এর সাথে জড়িত একটি মামলায় আদালত জানিয়েছিল, এই জরিপ সেবার পেছনে কোনো স্বার্থের লেনদেন বা ‘কুইড প্রো কু’ ছিল না। তবে সোমবার ইউনের ক্ষেত্রে আদালতের এই সিদ্ধান্ত পূর্ববর্তী রায় থেকে ভিন্ন হলো।

উল্লেখ্য, সাবেক এই কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট বর্তমানে মোট আটটি আইনি মামলার মুখোমুখি আছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদী সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মাস্টারমাইন্ড বা মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার বিরুদ্ধে তিনি বর্তমানে আপিল করছেন। 

এছাড়া, তাকে গ্রেফতার করতে আসা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট তার আরও একটি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স।

  • সর্বশেষ