শিরোনাম
◈ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ বিদেশী শ্রমিক কমাচ্ছে মালয়েশিয়া, অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার! ◈ দখল-দূষণে মরছে ঢাকার খাল, দেড় বছর ধরে বন্ধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ◈ দিলারা জামানের বাড়ি দখলের সত্যতা নেই! আসল ঘটনা জানালেন অভিনেত্রী নিজে ◈ কক্সবাজারে ৪ হোটেলে ২৮০ অনলাইন ‘জুয়া-প্রতারণার ল্যাব’! ◈ দুই লাখ টাকা ঋণের কিস্তি দিতে দেরি হলে বাড়িতে নোটিশ- মামলা, বড় ঋণ খেলাপিরা কেন শাস্তি পায় না? ◈ শেষ পর্যন্ত হে‌রেই গে‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের বিকল্প খুঁজছে সরকার, ভরসা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ◈ আর্থিক বিশ্বের নতুন শক্তি হংকং, পেছনে ফেলতে পারে নিউইয়র্ক-লন্ডনকে ◈ শিক্ষার বেহাল দশা নিয়ে আন্দোলনে শিশুরা, ভারতে জেন আলফার উত্থান

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’: আরও ১৬ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত, মোট নিহত ১০২ দাবি পাকিস্তানের

বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান ‘অপারেশন শাবান’-এ আরও ১৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে।  এ নিয়ে চলমান অভিযানের নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০২ জনে পৌঁছাল। 

নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, জিয়ারাত জেলার মাঙ্গি ড্যাম পুলিশ স্টেশনে হামলার পর এই অভিযান শুরু হয়। এতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি) এবং বেলুচিস্তান পুলিশ যৌথভাবে অংশ নিচ্ছে।

পাকিস্তানের দাবি, সমন্বিত বিমান ও স্থল অভিযানে এসব সশস্ত্র ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। সর্বশেষ অভিযানে আরও ১৬ জন নিহত হওয়ায় শুধু ‘অপারেশন শাবানে’ই নিহতের সংখ্যা ৬৪ জনে পৌঁছেছে। আর বেলুচিস্তানের বিভিন্ন অভিযানে মোট নিহতের সংখ্যা ১০২।

তবে চলমান অভিযানের মধ্যেই সাম্প্রতিক তিনটি হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকসহ ৪২ জন নিহত হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, শেষ সশস্ত্র ব্যক্তিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত বেলুচিস্তানে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, এন-২৫ মহাসড়কে পৃথক এক অভিযানে আরও দুইজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

এর আগে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেন, জিয়ারাতে হামলাকারীরা ভারতের সমর্থিত ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক সংঘর্ষে পুলিশ ১৫ জন হামলাকারীকে হত্যা করলেও ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। 

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে হামলাকারীরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে জিম্মি করেছিল।

পাকিস্তানের দাবি, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে।

এর জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে সীমান্তপারের অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, এতে আফগান তালেবান ও তাদের মিত্রদের বহু সদস্য নিহত ও আহত হয়।

এ ছাড়া, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, ২০০-র বেশি তালেবান যোদ্ধা ও তাদের মিত্র নিহত হন এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনাসদস্য নিহত হন।

পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও আফগান তালেবান সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি।

  • সর্বশেষ