শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩৪ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তেল রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন: ওপেকে থাকছে না আরব আমিরাত

তেল রফতানিকারক সংস্থা ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক ঘোষণায় বিষয়টি জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশটির এই পদক্ষেপ তেল রফতানিকারক সংস্থা এবং এর প্রধান সদস্য সৌদি আরবের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ওপেক সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই প্রস্থান সংগঠনটিকে অস্থির করে তুলতে পারে এবং দুর্বল করে দিতে পারে। কারণ ভেতরে নানা মতপার্থক্য থাকলেও ওপেক সাধারণত ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করে—তা ভূরাজনীতি হোক বা উৎপাদন কোটার বিষয়।

ওপেকভুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলো আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি রপ্তানিতে সমস্যায় পড়ছিল। ইরান ও ওমানের মাঝখানে থাকা এই সরু জলপথ দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। কিন্তু ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার কারণে রফতানি ব্যাহত হচ্ছে।
 
এই পরিস্থিতিতে ওপেক থেকে ইউএইর বের হয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি বহুদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, ওপেক বিশ্বকে ঠকাচ্ছে এবং কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াচ্ছে। ট্রাম্প আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন উপসাগরীয় দেশগুলোকে সামরিক সহায়তা দেয়, তখন তারা সেই সুযোগ নিয়ে তেলের দাম বাড়িয়ে ফেলে।
  
আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্প্রতি চলমান যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে না পারায় অন্যান্য আরব দেশগুলোর সমালোচনা করেছে।
 
দেশটির প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) গালফ ইনফ্লুয়েন্সারস ফোরামে এক আলোচনায় ইরানের হামলার বিষয়ে আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেন। এরপরই ওপেক থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এলো।
 
গারগাশ বলেন, ‘উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলো একে অপরকে রসদ সরবরাহে সমর্থন করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে ঐতিহাসিকভাবে তাদের অবস্থানই সবচেয়ে দুর্বল ছিল বলে আমি মনে করি।’ তিনি বলেন, ‘আরব লীগের কাছ থেকে আমি এই দুর্বল অবস্থান প্রত্যাশা করেছিলাম এবং এতে আমি অবাক হইনি, কিন্তু [উপসাগরীয়] সহযোগিতা পরিষদের কাছ থেকে আমি এটা প্রত্যাশা করিনি এবং এতে আমি অবাক হয়েছি।’ 

  • সর্বশেষ