শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৬ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের সময় আমিরাতে গোপনে ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েনের অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে রক্ষায় একটি আয়রন ডোম তথা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং এটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সেনা পাঠিয়েছিল ইসরাইল। রোববার (২৬ এপ্রিল) এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বাইরে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম দেশ যেখানে এই আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির মতে, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি আমিরাতের দিকে ছোড়া কয়েক ডজন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং ইসরাইলি সহায়তা প্রসঙ্গে একজন ঊর্ধ্বতন আমিরাতি কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা এই সহায়তার কথা ভুলব না।’

advertisement

যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমিরাতকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল এবং ২ হাজার ২০০-এর বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। এগুলোর বেশিরভাগই আকাশপথে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে কিছু মিসাইল ও ড্রোন দেশটির সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়।

ইরানের এই ব্যাপক হামলার মুখে আমিরাত তার মিত্রদের কাছে সহায়তা প্রার্থনা করে। ইসরাইলি কর্মকর্তারা অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন, আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) একটি আয়রন ডোম ব্যাটারি এবং সেটা পরিচালনার জন্য কয়েকজন সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন।

advertisement

একজন জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তার মতে, এর মধ্যদিয়ে ইসরাইল প্রথমবারের মতো অন্য কোনো দেশে আয়রন ডোম ব্যাটারি পাঠায়। এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কয়েক ডজন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করে বলে অন্য একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। 

কর্মকর্তারা আরও জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইল সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করছে। এমনকি আমিরাত ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে আঘাত হানার আগেই দক্ষিণ ইরানে মোতায়েন করা স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করতে ইসরাইলি বিমান বাহিনী অসংখ্যবার বিমান হামলা চালিয়েছে।

advertisement

২০২০ সালে ইসরাইল ও আরব আমিরাত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। যদিও গাজা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে মাঝে মাঝে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, তবে বর্তমানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী বলে কর্মকর্তারা মনে করেন।

আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক কর্মকর্তা তারেক আল-ওতাইবা এক নিবন্ধে লিখেছেন, কঠিন সময়ে যে দেশগুলো আমিরাতকে প্রকৃত সহায়তা দিয়েছে, ইসরাইল তাদের মধ্যে অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বড় ধরনের সামরিক সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে প্রকৃত মিত্র হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ