শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:২৫ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে এবার হুমকির মুখে ভারতের ৮ হাজার কোটি রুপির কনডম শিল্প!

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব এবার পড়তে শুরু করেছে ভারতের জনস্বাস্থ্য ও প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায়। ইরান যুদ্ধের কারণে দেশটির প্রায় ৮ হাজার ১৭০ কোটি রুপির বিশাল কনডম উৎপাদন শিল্প ভয়াবহ সরবরাহ সংকটের মুখে পড়েছে। এর ফলে বাজারে পণ্যটির তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ার পাশাপাশি খুচরা পর্যায়ে দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট চাহিদাজনিত নয়, বরং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধের ফলে সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় কনডম উৎপাদনের অপরিহার্য কাঁচামাল যেমন—পেট্রোকেমিক্যাল, সিলিকন অয়েল ও লুব্রিকেন্ট সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

ভারত বছরে প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি কনডম উৎপাদন করে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড (যা একাই ২২১ কোটি ইউনিট উৎপাদন করে), ম্যানকাইন্ড ফার্মা এবং কিউপিড লিমিটেডের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। কনডম তৈরিতে লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত সিলিকন অয়েলের সংকট এবং কাঁচা ল্যাটেক্স স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিভিসি ফয়েল, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ও প্যাকেজিং সামগ্রীর দুষ্প্রাপ্যতা উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে। এছাড়া ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের কথা মাথায় রেখে এই শিল্পে সাধারণত ‘বেশি বিক্রি ও স্বল্প মুনাফা’ মডেল অনুসরণ করা হয়, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কনডমের দাম বৃদ্ধি বা দুষ্প্রাপ্যতা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি যৌনবাহিত রোগের (STI) সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরগুলোর ফার্মেসিগুলোতে কনডমের অনিয়মিত সরবরাহের চিত্র সামনে আসতে শুরু করেছে।

  • সর্বশেষ