শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৮ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনআইএ হেফাজতে প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ও সহযোগী আলমগীর হোসেন

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। রোববার বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক ভারতৈ তাদেরকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছিল।

তবে সোমবার এনআইএ বিধাননগর মহকুমা আদালতে ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বিচারক এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করেন। ট্রানজিট রিমান্ডে ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন বিচারক।

advertisement

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, এবার হেফাজতে নেয়া দুই অভিযুক্তকে দিল্লিতে এনআইএ-র আদালতে হাজির করবে। এরপরই নতুন করে দুই জনকে জেরা করা হবে। তবে এনআইএ ভারতে গ্রেপ্তার তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি বলে সরকারি আইনজীবীদের সূত্রে জানা গেছে।

রোববার বিচারক ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত দিয়েছিলেন। তবে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ফায়সাল হাদি হত্যা যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

advertisement

ফয়সাল আরও দাবি করেন, সে হাদিকে খুন করেনি। এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন সিসিটিভি ফুটেজে তাকেই দেখা গেছে বলে জানানো হলে হাদি খুনে অন্যতম অভিযুক্ত বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে, আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।’

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তারের পর জেরায় তারা হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছিল।

advertisement

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি সেখানে মারা যান।

এরপর পুলিশি তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হন। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজত রয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ