শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০২৬, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেভাবে ইরানের ১৬৮ স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিডিওতে মিলল প্রমাণ

ইরানের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব জেলায় একটি গার্লস স্কুলে হামলায় ১৬৮ স্কুলছাত্রী ও ১৪ জন শিক্ষক হন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এই নৃশংস হামলা বিশ্ব বিবেকে নাড়া দিয়েছে। শুরুতে হামলার দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে পরে মার্কিন তদন্ত দলের অনুসন্ধান ও ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ হয়, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই রক্তে ভাসে সেই গার্লস স্কুল।

ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে সেই মার্কিন হামলার দৃশ্য দেখা গেছে। নিকটবর্তী একটি নির্মাণস্থল থেকে ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র সেই স্কুলে আঘাত করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

advertisement

ক্যামেরা ডানদিকে ঘোরানোর সময় শাজরেহ তাইয়িবা স্কুলের দিক থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।

তবে আল জাজিরা ও সিএনএনের অনুসন্ধান, বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুলে হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ভূমিকা থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

advertisement

জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজ-এর গবেষণা সহযোগী স্যাম লেয়ার সিএনএন-কে বলেন, ভিডিওতে দেখা অস্ত্রটি মার্কিন টমাহকের সঙ্গে মিল রয়েছে। তার ভাষায়, ‘ভিডিওতে যা দেখা গেছে তা টিএলএএমের সঙ্গে মিলে যায়। মাঝখানে ডানা ও পেছনে টেইলকিটসহ ক্রুশাকার গঠন রয়েছে।’

সিএনএন-এর সঙ্গে কথা বলা অন্যান্য অস্ত্র বিশেষজ্ঞরাও এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হয়েছেন। তারা বলেন, সাধারণত আকাশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগে হামলার প্রাথমিক ধাপে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

advertisement

কোনও নির্দিষ্ট ভবনে আঘাত করা হয়েছিল তা সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়নি। তবে সিএনএন-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এটি সম্ভবত আইআরজিসি পরিচালিত একটি মেডিক্যাল ক্লিনিকের ভেতরে বা তার ঠিক পাশের কোনো ভবনে আঘাত করেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা করে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। ইসরায়েল এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে না। এগুলো সাধারণত যুদ্ধজাহাজ বা সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা হয়।

এর আগে স্যাটেলাইট চিত্র ভৌগোলিকভাবে শনাক্ত করা ভিডিও, মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য বক্তব্য এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে সিএনএন শুক্রবার এক বিশ্লেষণে জানায়, হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই সম্ভবত দায়ী। সূত্র: সিএনএন

 

  • সর্বশেষ