শিরোনাম
◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার ◈ জ্বালানি আসছে, ভালভ পরীক্ষায় সাফল্য—উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর ◈ ৪৯ সেকেন্ড আগে গোল, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হ‌কির ফাইনালে ভারত 

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:১৯ বিকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরও ভয়াবহ হতে পারে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

বরগুনায় গত আট মাসে ৯ হাজার মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। জেলাটিতে এখন পর্যন্ত এই রোগে ৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতো রোগী এবং মৃত্যু অন্য কোনো জেলায় নেই।

চলটি বছর সারাদেশে ৭৭ হাজারের বেশি মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীতে ২২ হাজার। বাকি ৬৫ ভাগ রাজধানীর বাইরেরচ রোগীই। অথচ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মশা মারার কোনো উদ্যোগ নেই। সিটি করপোরশনগুলোতেও তেমন কোনো গুরুত্ব নেই।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, আগামী ৩০ থেকে ৪০ বছর মফস্বলে ডেঙ্গু একটি ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যা হতে যাচ্ছে। এটি কেউ ঠেকাতে পারবে না। এক্ষেত্রে পৌরসভা বা ইউনিয়ন কিছু করতে পারবে না। 

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কীটতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, মশা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে আমরা দেখাতে বেশি পছন্দ করি। লোক দেখানো কর্মসূচির কারণেই ডেঙ্গু কমে না। এর জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশা মারার উদ্যোগ দরকার। এডিস ও কিউলেক্স মশার জীবন, প্রজনন ও আচরণ আলাদা। এই দুই ধরণের মশা একটি উপায়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। এউ ভুলটিই সিটি করপোরেশন করে থাকে।

advertisement

অন্যদিকে, চলতি মাসে সারা দেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। অথচ আগে থেকেই এ বিষয়ে কীটতত্ত্ববিদরা সতর্ক করেছিলেন। তবুও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র পরিস্থিতির অবনতি হলেই কিছু স্বল্প মেয়াদি কর্মসূচি কেবল নেয়া হয়। 

সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী বাড়লেও কাগজে কলমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মৃত্যু বেশি। সিটি করপোরেশন এটিকে তথ্যজনিত ভুল বলছে। সারাদেশ থেকে ঢাকায় আসা রোগীদের বড় অংশ দক্ষিণ সিটিতে দেখানো হয় বলে দাবি করেছেন তারা।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না। এখন বিশেষ কর্মসূচির চিন্তা করা হচ্ছে। এই বিশেষ অভিযান জনবণ ও সুশীল সমাজকে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, সামনের ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। শীতের আগে এডিস মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ কমবে না। উৎস: যমুনা টেলিভিশন।

 

  • সর্বশেষ