শিরোনাম
◈ সরকার একা নয়, অংশীদারত্বে হবে চট্টগ্রামের পানি সংকটের সমাধান: অর্থমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী আটক বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ◈ দুই হাজার আইফোনসহ কক্সবাজারে ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার ◈ চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশের সুবিধা-অসুবিধা কী? ◈ ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে ২ হাজার কোটি রুপির মহাসড়ক বানাচ্ছে ভারত ◈ বাংলা‌দেশ দল আ‌সিয়ান কাপ খেলতে ১৯ সে‌প্টেম্বর ইন্দো‌নে‌শিয়ায় রওনা হ‌বে ◈ ‘এমন উদ্ধার অভিযান বিশ্বে আগে ঘটেনি’ : বিশেষজ্ঞ ◈ সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‌বি‌শেষ বিদায়ী প্রী‌তি ম‌্যা‌চে মেসি আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফির‌ছেন!  ◈ পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজারে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

প্রকাশিত : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৫ রাত
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬ সেপ্টেম্বর: চিরনিদ্রায় নায়ক, স্মৃতিতে অমর সালমান শাহ

মনিরুল ইসলাম : বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র তিন বছরের ক্যারিয়ারে যিনি হয়ে উঠেছিলেন ঢালিউডের ‘প্রথম সুপারস্টার’। প্রতি বছরের মতো এবারও ৬ সেপ্টেম্বর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে এই কিংবদন্তি অভিনেতাকে—যেদিন তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

১৯৯৬ সালের এই দিনে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসা থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। সালমান শাহ-এর মৃত্যু ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা বিতর্ক, তদন্ত ও জল্পনা-কল্পনা চললেও বিষয়টি আজও সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন নামেই জন্মগ্রহণ করা এই তারকা ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক করেন। এরপর অল্প সময়েই একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের নায়ক। মাত্র তিন বছরে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বিরল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। 

তার অভিনয়ের পাশাপাশি স্টাইল, ফ্যাশন ও ব্যক্তিত্ব তাকে আলাদা উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। নব্বইয়ের দশকের তরুণদের মধ্যে তার চুলের স্টাইল, পোশাক ও রোমান্টিক ইমেজ ছিল ব্যাপকভাবে অনুকরণীয়। আজও অনেকের কাছে তিনি রয়ে গেছেন ভালোবাসার প্রতীক।

মৃত্যুর এত বছর পরও সালমান শাহ-এর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র অঙ্গন—সবখানেই তার স্মৃতিচারণা চলছে। ভক্তরা তার প্রিয় সিনেমার দৃশ্য, গান ও সংলাপ শেয়ার করে জানাচ্ছেন ভালোবাসা।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বল্প সময়ে এমন প্রভাব খুব কম শিল্পীই রাখতে পেরেছেন। তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং একটি প্রজন্মের আবেগ, স্বপ্ন আর ভালোবাসার নাম।
৬ সেপ্টেম্বর তাই শুধু একটি মৃত্যুবার্ষিকী নয়—বাংলা চলচ্চিত্রের এক অমর অধ্যায়ের স্মরণ দিবস।

এদিনে এফডিসিতে তাঁর ৩ টি চলচ্চিত্রের উন্মুক্ত প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ'র কালচারাল রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন একটি গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেছে। দেশের বাইরে নানা আয়োজন রয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ