শিরোনাম
◈ আসছে বড় সুখবর, ২০২৬ সালে কোন মাসে কত দিন টানা ছুটি পাবেন চাকরিজীবীরা, দেখুন তালিকা ◈ যে ওভারকোট জিয়া পরিবারের আর কখনো ফেরত দেওয়া হয়নি ◈ জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এক বছরে উপহার পেয়েছেন ১৫ ভরি সোনা, রয়েছে নগদ ১৮ কোটি টাকা ◈ নতুন বছরে কমলো জ্বালানি তেলের দাম ◈ হলফনামায় প্রকাশ: কে কত ধনী — শীর্ষ রাজনীতিবিদদের আয় ও সম্পদের চিত্র ◈ বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারিতে নোয়াখালীর সহকারী কোচ নিয়াজ খান ◈ ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড ১৫ কোটি টিকেটের আবেদন   ◈ ব্রা‌জি‌লিয়ান রবের্তো কার্লোস হাসপাতালে, হয়েছে অস্ত্রোপচারও: কেমন আছেন কিংবদন্তি ফুটবলার? ◈ মায়ের অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়: তারেক রহমান ◈ জাপানে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হালদায় প্রজনন মৌসুমে বেড়েছে মৎস্য শিকারিদের আনাগোনা

শাহাদাত হোসেন, রাউজান (চট্টগ্রাম): হালদায় এখন মা মাছের আনাগোনা বেড়েছে। যেকোনো সময় ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। এমন সময় শিকারিরা অবৈধভাবে শিকার করছে মা মাছ। দিন-রাত প্রতিনিয়ত প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকলেও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না শিকারিদের। অসাধু শিকারিরা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিন-রাতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিদিন কার্প জাতীয় (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাইশ) গলদা চিংড়িসহ নানা প্রজাতির মা মাছ শিকার করছে। এতে হালদার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে। 

রাউজান-হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ও নৌপুলিশ প্রতিনিয়ত পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘেরা জাল, ব্যবহৃত নৌকা ধ্বংস করে মাছ শিকার কিছুটা প্রতিরোধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ করা অসম্ভব হচ্ছে। 

গত ৪ মে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহিদুল আলম হালদা নদীর বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার মিটার নিষিদ্ধ ঘেরা জাল জব্দ করেন।

স্থানীয় হালদা পাড়ের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এভাবে হালদায় মাছ শিকার করা অব্যাহত থাকলে ডিম দেওয়া মা মাছ আর হালদাতে থাকবে না। 

এই বিষয়ে হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রজনন মৌসুমে ব্রুড মাছের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন ঘটে এর মধ্যে সবচেয়ে লক্ষণীয় শারীরিক পরিবর্তন হলো উদর বা পেট অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মাছ যখন প্রজননের জন্য প্রস্তুত হয় তখন ডিম্বাশয় বা শুক্রাশয়ের বিকাশ ঘটে এবং ডিম বা শুক্রাণু দ্বারা পূর্ণ হয়, যার ফলে উদর প্রসারিত হয়। এই সময় মা মাছ শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রজননের মৌসুমে অসাধু মা মাছ শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মা মাছ শিকার করে। তাই এদের হাত থেকে মা মাছকে রক্ষা করে প্রজনন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ করতে সবাইকে আরো বেশি সচেতন করতে হবে। 

ড. শফিক আরো বলেন, হালদা নদীতে কার্পজাতীয় মাছের প্রজননের চারটি জোঁ অতিক্রম হলেও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল নেমে না আসায় কার্পজাতীয় মা মাছ এখনো পূরোদমে ডিম ছাড়েনি। তবে একটানা ভারীবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল নামলে আজ-কালকের মধ্যে ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। অনুকূল পরিবেশ না পেলে অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢল নেমে না আসলে সেক্ষেত্রে পরবর্তী জুন মাসের পূর্ণিমার জোঁ ১ থেকে ৬ জুন অথবা সর্বশেষ ১৫ থেকে ২০ জুন অমাবস্যার জোঁ'তে কার্পজাতীয় মা মাছ ডিম ছাড়বে।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়