শিরোনাম
◈ ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়ছে না কেন? ◈ পাঁচ দিন পর ডাকসুর মেয়াদ শেষ, পরের নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ◈ তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে সরকার ◈ মানব পাচারের অন্যতম রুট হয়ে উঠছে পঞ্চগড় সীমান্ত ◈ সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা: সংসদে বিল পাস ◈ সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি আটক, ফেরত পাঠানো হলো ১২ হাজার ◈ মালয়েশিয়ায় ভিসাবিহীনদের দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের ◈ জ‌য়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হে‌রে গে‌লো বাংলাদেশ ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে পাকিস্তানকে ৫-১ গো‌লে হারা‌লো বাংলাদেশ ◈ ভারতের কাছেও হার, এশিয়ান কাপের মূলপ‌র্বে খেলার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হালদায় প্রজনন মৌসুমে বেড়েছে মৎস্য শিকারিদের আনাগোনা

শাহাদাত হোসেন, রাউজান (চট্টগ্রাম): হালদায় এখন মা মাছের আনাগোনা বেড়েছে। যেকোনো সময় ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। এমন সময় শিকারিরা অবৈধভাবে শিকার করছে মা মাছ। দিন-রাত প্রতিনিয়ত প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকলেও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না শিকারিদের। অসাধু শিকারিরা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিন-রাতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিদিন কার্প জাতীয় (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাইশ) গলদা চিংড়িসহ নানা প্রজাতির মা মাছ শিকার করছে। এতে হালদার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে। 

রাউজান-হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ও নৌপুলিশ প্রতিনিয়ত পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘেরা জাল, ব্যবহৃত নৌকা ধ্বংস করে মাছ শিকার কিছুটা প্রতিরোধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ করা অসম্ভব হচ্ছে। 

গত ৪ মে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহিদুল আলম হালদা নদীর বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার মিটার নিষিদ্ধ ঘেরা জাল জব্দ করেন।

স্থানীয় হালদা পাড়ের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এভাবে হালদায় মাছ শিকার করা অব্যাহত থাকলে ডিম দেওয়া মা মাছ আর হালদাতে থাকবে না। 

এই বিষয়ে হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রজনন মৌসুমে ব্রুড মাছের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন ঘটে এর মধ্যে সবচেয়ে লক্ষণীয় শারীরিক পরিবর্তন হলো উদর বা পেট অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মাছ যখন প্রজননের জন্য প্রস্তুত হয় তখন ডিম্বাশয় বা শুক্রাশয়ের বিকাশ ঘটে এবং ডিম বা শুক্রাণু দ্বারা পূর্ণ হয়, যার ফলে উদর প্রসারিত হয়। এই সময় মা মাছ শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রজননের মৌসুমে অসাধু মা মাছ শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মা মাছ শিকার করে। তাই এদের হাত থেকে মা মাছকে রক্ষা করে প্রজনন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ করতে সবাইকে আরো বেশি সচেতন করতে হবে। 

ড. শফিক আরো বলেন, হালদা নদীতে কার্পজাতীয় মাছের প্রজননের চারটি জোঁ অতিক্রম হলেও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল নেমে না আসায় কার্পজাতীয় মা মাছ এখনো পূরোদমে ডিম ছাড়েনি। তবে একটানা ভারীবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল নামলে আজ-কালকের মধ্যে ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। অনুকূল পরিবেশ না পেলে অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢল নেমে না আসলে সেক্ষেত্রে পরবর্তী জুন মাসের পূর্ণিমার জোঁ ১ থেকে ৬ জুন অথবা সর্বশেষ ১৫ থেকে ২০ জুন অমাবস্যার জোঁ'তে কার্পজাতীয় মা মাছ ডিম ছাড়বে।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ