শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৫ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হালদায় প্রজনন মৌসুমে বেড়েছে মৎস্য শিকারিদের আনাগোনা

শাহাদাত হোসেন, রাউজান (চট্টগ্রাম): হালদায় এখন মা মাছের আনাগোনা বেড়েছে। যেকোনো সময় ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। এমন সময় শিকারিরা অবৈধভাবে শিকার করছে মা মাছ। দিন-রাত প্রতিনিয়ত প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকলেও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না শিকারিদের। অসাধু শিকারিরা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিন-রাতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিদিন কার্প জাতীয় (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাইশ) গলদা চিংড়িসহ নানা প্রজাতির মা মাছ শিকার করছে। এতে হালদার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে। 

রাউজান-হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ও নৌপুলিশ প্রতিনিয়ত পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘেরা জাল, ব্যবহৃত নৌকা ধ্বংস করে মাছ শিকার কিছুটা প্রতিরোধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ করা অসম্ভব হচ্ছে। 

গত ৪ মে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহিদুল আলম হালদা নদীর বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার মিটার নিষিদ্ধ ঘেরা জাল জব্দ করেন।

স্থানীয় হালদা পাড়ের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এভাবে হালদায় মাছ শিকার করা অব্যাহত থাকলে ডিম দেওয়া মা মাছ আর হালদাতে থাকবে না। 

এই বিষয়ে হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রজনন মৌসুমে ব্রুড মাছের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন ঘটে এর মধ্যে সবচেয়ে লক্ষণীয় শারীরিক পরিবর্তন হলো উদর বা পেট অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মাছ যখন প্রজননের জন্য প্রস্তুত হয় তখন ডিম্বাশয় বা শুক্রাশয়ের বিকাশ ঘটে এবং ডিম বা শুক্রাণু দ্বারা পূর্ণ হয়, যার ফলে উদর প্রসারিত হয়। এই সময় মা মাছ শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রজননের মৌসুমে অসাধু মা মাছ শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মা মাছ শিকার করে। তাই এদের হাত থেকে মা মাছকে রক্ষা করে প্রজনন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ করতে সবাইকে আরো বেশি সচেতন করতে হবে। 

ড. শফিক আরো বলেন, হালদা নদীতে কার্পজাতীয় মাছের প্রজননের চারটি জোঁ অতিক্রম হলেও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল নেমে না আসায় কার্পজাতীয় মা মাছ এখনো পূরোদমে ডিম ছাড়েনি। তবে একটানা ভারীবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল নামলে আজ-কালকের মধ্যে ডিম ছাড়তে পারে মা মাছ। অনুকূল পরিবেশ না পেলে অর্থাৎ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢল নেমে না আসলে সেক্ষেত্রে পরবর্তী জুন মাসের পূর্ণিমার জোঁ ১ থেকে ৬ জুন অথবা সর্বশেষ ১৫ থেকে ২০ জুন অমাবস্যার জোঁ'তে কার্পজাতীয় মা মাছ ডিম ছাড়বে।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ