শিরোনাম
◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা ◈ রোম বিমানবন্দরে আটকা ঢাকাগামী বিমান, দুর্ভোগে আড়াই শতাধিক যাত্রী

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ ভাবছেন ট্রাম্প

ইরানে বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমন করায় দেশটিতে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ (গুরুত্বের সঙ্গে) ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস রোববার (১১ জানুয়ারি) জানিয়েছে, ইরানে কীভাবে হামলা করা যায় এ ব্যাপারে ট্রাম্পকে ব্রিফ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। যদিও ট্রাম্প হামলার ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তবে হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন।

সংবাদমাধ্যমটিকে নাম গোপন রাখার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানে কোথায় কিভাবে হামলা চালাতে পারে সে ব্যাপারে একাধিক পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এর আগে আরেক সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, ট্রাম্প যদি নির্দেশ দেন তাহলে ইরানের সেনাবাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক আকারে বিমান হামলা চালানো হতে পারে।

নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোরতা, হতাহতে ভরে গেছে ইরানের হাসপাতালগুলো

ইরানের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। গত বৃহস্পতিবার রাতে সবচেয়ে তীব্র আন্দোলন হওয়ার পর শুক্রবার রাতেও রাস্তায় নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এছাড়া শনিবারও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।

তবে গতকাল শুক্রবার রাতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচার গুলির ঘটনা ঘটেছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তিনটি হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালগুলো নিহত ও আহতে মানুষে উপচে পড়েছে।

তেহরান হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন তরুণদের মাথা লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছোড়া হয়েছে। এছাড়া অনেকের হার্টেও গুলি করা হয়েছে।

একটি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে এত বেশি রোগী আসছিল যে তারা ক্রাইসিস মুডে চলে গেছেন। হতাহতের চিকিৎসা দিয়ে তারা কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না।

বিক্ষোভকারীদের পাশপাশি আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ সংখ্যা ১৪ জন বলে জানা গেছে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়