শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টেকনাফে জেলেদের জালে ধরা পড়ল ৯ লাখ টাকার মাছ

কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে জেলেদের টানা জালে ধরা পড়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ, যার বাজারমূল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়া ও গোদারবিল এলাকার উপকূলীয় সৈকতে এ মাছগুলো ধরা পড়ে। বিপুল পরিমাণ মাছ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা সৈকতে ভিড় জমান। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা মৌলভী হাফেজ আহমদের মালিকানাধীন জালে এই বিপুল পরিমাণ মাছ আটকা পড়ে। সাগরের খুব কাছেই জেলেরা জাল টানলে দেখা যায়, এতে প্রচুর পরিমাণ ফাইস্যা ও ছোট-বড় ছুরি মাছ ধরা পড়েছে। সাগর থেকে মাছ তোলার পরপরই পাইকারি ক্রেতারা তা কিনে নেন। এসব মাছের একটি বড় অংশ শুঁটকি মহালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। 

জালের মালিক মৌলভী হাফেজ আহমদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আজ হঠাৎ করেই সাগরে প্রচুর মাছ ধরা পড়েছে। আমার এক জালে ১০৬ মণের বেশি মাছ উঠেছে, যা প্রায় ৯ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বছরের শুরুতে এমন প্রাপ্তি জেলেদের মাঝে আনন্দ বয়ে এনেছে।”

নৌকার মাঝি মো. ইসলাম বলেন, “অনেক দিন সাগরে মাছ পাচ্ছিলাম না। অভাবের কারণে আমাদের কিস্তিতে সংসার চালাতে হচ্ছিল। আজ আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুলে চেয়েছেন। এই মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে ইনশাআল্লাহ কিস্তি পরিশোধ করতে পারব।” 

টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা জানান, ধরা পড়া মাছের মধ্যে ছুরি মাছের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, “শীত মৌসুমে এ মাছের প্রজনন বেশি হয়। এছাড়া সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রজনন মৌসুমে ৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এখন মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়ম মেনে মাছ শিকারের সুফল পাচ্ছে জেলেরা, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ