তাওহীদ হৃদয় কি সেঞ্চুরিটা পাবেন! সিলেটে এই ভাবনাই জাগিয়ে তুলেছিলেন রংপুর রাইডার্সের ব্যাটার। শেষ ওভারের প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে পরের বলে সিঙ্গেল নেওয়ায় ৯৭ রানে ননস্ট্রাইকে যান তিনি। খুশদি শাহ তৃতীয় বলে ৪ মেরে স্ট্রাইকেই থাকেন, পরের বলে ক্যাচ দেন আবদুল গাফ্ফারের হাতে। হৃদয়ের সামনে সেঞ্চুরির সুযোগটা আসে পরের বলে নুরুল হাসান সোহান সিঙ্গেল নিয়ে তাকে স্ট্রাইক দিলে।
কিন্তু হৃদয় জিমি নিশামের বলে এক রানও তুলতে পারেননি। স্ট্রেইটে খেলে নিশামের সোজা বল ফেলে দৌড়ানোর সুযোগটুকু পর্যন্ত পাননি। ৫৬ রানের সেঞ্চুরি মিসের ইনিংসটি তিনি সাজান ৬ ছয় ও ৮ চারের মারে। তাকে গুরুত্বপূর্ণ ৪৪ রান করে সঙ্গ দেন খুশদিল শাহ। রংপুর ৪ উইকেটে পেয়েছে ১৭৮ রানের সংগ্রহ।
১৫৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারে আজ ১৪তম বারের মতো ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন হৃদয়। কাইলে মেয়ার্স তৃতীয় ওভারে আউট হলেও হৃদয় টিকে ছিলেন ম্যাচের প্রায় শেষ পর্যন্ত। শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার। রিপন মণ্ডলের ওভারে আউট হওয়া মেয়ার্সের সঙ্গে ২৯ রানের জুটির পর লিটন দাসের সঙ্গে করেন ২৮ রানের। লিটন ১৪ বলে ১১ রান করে সন্দীপ লামিচানের শিকার হন।
হৃদয়ের সবচেয়ে বড় জুটিটি হয় পাকিস্তানি ব্যাটার খুশদিল শাহর সঙ্গে। ইফতিখার আহমেদ ৮ রানে আউট হওয়ার পর ১০৫ রানের জুটি গড়েন তারা। খুশদিল জিমি নিশামকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আবদুল গাফ্ফার সাকলাইনকে। ২৯ বলের ইনিংসটি ৪ চার ও ৩ ছয় মারেন তিনি।
এই ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠার সুযোগ রংপুরের সামনে। সেক্ষেত্রে রাজশাহীকে গুটিয়ে দিতে হবে একটু আগেভাগে। রাজশাহীরও শীর্ষে উঠার সুযোগ, সেক্ষেত্রে জিততে হবে বেশ কয়েক ওভার হাতে রেখে।