ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ প্রশাসন। এ ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য কেসি কলেজে সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক আটকে উন্মুক্ত রাস্তায় প্রতীকী নবীনবরণ আয়োজন করে ছাত্রশিবির।
এসময় কলেজের তালাবদ্ধ প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। সড়কে ট্রাকের ওপর ভ্রাম্যমাণ মঞ্চে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এ সময় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল ফ্যাসিবাদী আচরন করেছে। নবীনবরণের অনুমতি দিয়েও তারা অনুষ্ঠানের দিন কলেজ বন্ধ করে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছে। কলেজ প্রশাসন যে ফ্যাসিবাদী আচরণ করেছে, তার বিচার ঝিনাইদহের মানুষ করবে। প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
এ সময় বক্তারা, কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ দাবি করেন। পরে ঝিনাইদহ শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করে কেসি কলেজ শাখা ছাত্রশিবির। এ সময় ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।
এদিকে এ ঘটনায় সরকারি কেসি কলেজের প্রিন্সিপাল ড. মাসরুর উল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।