শিরোনাম
◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:১৮ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রেপ্তার থেকে পুনর্বহাল—৭ বছরের লড়াই শেষে শিক্ষক নুসরাতের প্রত্যাবর্তন

২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর চাকরি হারিয়েছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নুসরাত জাহান সোনিয়া। গত ২৮ ডিসেম্বর পটুয়াখালী জেলা শিক্ষা অফিসারের জারি করা এক অফিস আদেশে ৭ বছর আগের সেই সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়ার দক্ষিণ টিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন সোনিয়া।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট মধ্যরাতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন নুসরাত জাহান সোনিয়া।

পরদিন ৫ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ (২) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ৬ আগস্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল ইসলামের সই করা চিঠির মাধ্যমে তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ওই সময়ে সোনিয়া ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে একই বছরের ২৩ নভেম্বর সিজারিয়ান সেকশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি।

বর্তমানে সেই সন্তানের বয়স ৭ বছর। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৪ দিন কারাগারে ছিলেন সোনিয়া। পরে হাইকোর্ট এই মামলার কার্যক্রম বাতিল করে গত বছরের ২২ মে নুসরাতকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

এদিকে গত ২৮ ডিসেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উম্মে সালমা লাইজু স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, ‘কলাপাড়া উপজেলার দক্ষিণ টিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুসরাত জাহান সোনিয়ার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়েরকৃত কলাপাড়া বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআর মামলা নং-৩৩৭/১৮, পরবর্তীতে (ঢাকা) মামলা নং-৩৮৫/১৯, বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল নং ৬১/২১ মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ২৪ ডিসেম্বর তারিখের ৬৪৮ নং স্মারক অনুযায়ী সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ দপ্তরের ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট জারিকৃত সাময়িক বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হল।’
এতে আরো বলা হয়, শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তকালীন সময় চাকরিকাল হিসেবে গণ্য হবে এবং তিনি বিধি মোতাবেক সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ের বেতন-ভাতা বকেয়া হিসেবে প্রাপ্য হবেন। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ