শিরোনাম
◈ নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট, জরুরি নির্দেশনা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ◈ বাংলাদেশের বাজারে নজর দক্ষিণ কোরিয়ার, সিইপিএ নিয়ে শেষ ধাপের আলোচনা ◈ ‘বাংলার এপস্টেইন’ আসিয়ানের নজরুলের কাণ্ড: উপড়ে ফেলল মডেল কো-অর্ডিনেটরের পায়ের নখ, ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে পা ◈ শিল্পায়নের নতুন ইতিহাসের সূচনা হবে আনোয়ারায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ এক দফা কমার পর আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ ১৮ জেলার ১০৫ সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশে ঢুকছে মাদক, প্রধান গন্তব্য ঢাকা ◈ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানী ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা পিছিয়ে যাচ্ছে ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা থামায় তেলের দামে বড় পতন ◈ একই পুরুষকে বিয়ে করলেন তিন বোন! বহুবিবাহ নিয়ে কী বলছে ভারতের আইন? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৫৪ সকাল
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উল্টাপাল্টা করবা হাত ভেঙে দেব: কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট:  মৌলবাদীদের এদেশে দরকার নেই। আমার বাবার জানাজা আমি নিজেই পড়াতে পারবো। আমি চারবার কুরআন খতম করেছি। নিয়মিত নামাজ পড়ি। সুতরাং দেশের সংবিধান মেনেই আপনাকে এদেশে থাকতে হবে। যদি সংবিধান না মানেন তাহলে আপনাদের জন্য তিনটি অপশন। ‘এক. উল্টাপাল্টা করবা হাত ভেঙে দেব, জেল খাটতে হবে। দুই. একেবারে চুপ করে থাকবেন, দেশের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস নিয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন না। তিন. আপনার যদি বাংলাদেশ পছন্দ না হয়, তাহলে ইউ আর ওয়েলকাম টু গো ইউর পেয়ারা পাকিস্তান।’ বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া মহাবিদ্যালয়ে কুমারখালী নাগরিক পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে এসব কথা বলেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত।

তিনি বলেন, যারা যে উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকুক না কেন, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্য দল থেকে অনুপ্রবেশকারী কাউকে দলের পদ দেওয়া হলে যেসব নেতা পদ দেবেন, তাদের বিরুদ্ধেও সংগঠন থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অসাম্প্রদায়িক বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদী বা দুষ্কৃতকারীর ঠাঁই হবে না।

কুমারখালী নাগরিক পরিষদের ব্যানারে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সাংসদ ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ।

বেলা ১১টায় কুমারখালী নাগরিক পরিষদের সভাপতি আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভা শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাংসদ সেলিম আলতাফ।

এ ছাড়া সেখানে কুমারখালী পৌরসভার মেয়র শামসুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা এ টি এম আবুল মনসুর, শিলাইদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান, কুমারখালী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মনির হাসান বক্তব্য দেন। তবে কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলামকে প্রতিবাদ সভায় দেখা যায়নি।

স্থানীয় লোকজন বলছেন, কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও ভাস্কর্য ভাঙচুর মামলার আসামি আনিচুর রহমান তার সঙ্গে রাজনীতি করেন। ঘটনার দিন সকালে জিয়াউল ইসলাম যখন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন, তখনো আনিচুরকে তার সঙ্গে দেখা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার বিকেলে কয়া কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, আনিচুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক সরাসরি ভাস্কর্য ভাঙচুরে অংশ নিয়েছেন। কয়া মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটানো হয়।

সূত্র : প্রথমআলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়