প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাতে ইতিহাস গড়বেন কে? জকোভিচ না নাদাল

স্পোর্টস ডেস্ক: [২] ওপেন যুগে অন্য সব খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশিবার পরস্পরকে মোকাবিলা করেছেন নোভাক জকোভিচ ও রাফায়েল নাদাল। টেনিস ইতিহাসে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে তাদের অসামান্য দ্বৈরথ। ২০২০ ফরাসি ওপেনের ফাইনাল ফের তাদেরকে দাঁড় করিয়েছে মুখোমুখি অবস্থানে। কোর্টে ৫৬তম সাক্ষাতের আগে নতুন ইতিহাস গড়ার হাতছানিও দুজনের সামনে।

[৩] রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় রোল্যাঁ গ্যারোঁর ছেলেদের এককের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে নামবেন বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় জকোভিচ ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাফায়েল নাদাল।

[৪] এখন পর্যন্ত মোট আটবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের ফাইনালে দেখা হয়েছে সময়ের অন্যতম দুই সেরা তারকার। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলেননি। দুজনেরই জয় সমান চারটি করে। তাই নিঃসন্দেহে পরস্পরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় আছেন তারা। তাছাড়া, ফরাসি ওপেনের এবারের ফাইনালের মাহাত্ম্যও আলাদা কেন? জোকোভিচ ও নাদাল, দুজনেরই রয়েছে রেকর্ড বই ওলট-পালট করার সুযোগ।

[৫] ছেলেদের এককে সবচেয়ে বেশি ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড রয়েছে রজার ফেদেরারে দখলে। তার ঠিক পেছনেই আছেন ক্লে কোর্টের রাজা খ্যাত নাদাল। ফাইনালে জিতলে সুইস কিংবদন্তির কীর্তিতে ভাগ বসাবেন এই ৩৪ বছর বয়সী স্প্যানিশ তারকা।

[৬] সার্বিয়ান তারকা জকোভিচের গ্র্যান্ড স্ল্যামের সংখ্যা ১৭টি। শিরোপা হাতে তুলতে পারলে নাদাল-ফেদেরারের আরও কাছাকাছি যেমন তিনি চলে আসবেন, তেমনি গড়বেন অনন্য রেকর্ড। ওপেন যুগে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের (অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, উইম্বলডন, ফরাসি ওপেন, ইউএস ওপেন) প্রতিটি অন্তত দুবার করে জেতার নজির এখন পর্যন্ত কেউ স্থাপন করতে পারেননি। এই অর্জন থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে আছেন ২০১৬ সালে রোল্যাঁ গ্যারোঁতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া জকোভিচ।

[৭] ফরাসি ওপেনে ত্রয়োদশ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে থাকা নাদাল এই প্রতিযোগিতায় গত ১৫ বছরে মাত্র দুটি ম্যাচ হেরেছেন। জিতেছেন ৯৯টি। অর্থাৎ ফাইনালে সেঞ্চুরিও পূরণ হয়ে যেতে পারে তার। তবে ওই হারগুলোর একটি এসেছিল জকোভিচের বিপক্ষে। ২০১৫ আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিলেন তিনি।

[৮] ৩৩ বছর বয়সী জকোভিচ ছুটছেন অপ্রতিরোধ্য গতিতে। চলতি বছরে কেবল একটি ম্যাচ জিততে পারেননি তিনি। তবে তা প্রতিপক্ষের নৈপুণ্যের কারণে নয়। সবশেষ ইউএস ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে এক লাইন জাজের গায়ে বল মেরে ডিসকোয়ালিফাইড হয়েছিলেন তিনি। প্যারিস টাইমস/ ডেইলি স্টার

সর্বাধিক পঠিত