শিরোনাম
◈ বন্ধু ইনফান্তিনোর ফোন ধরলেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফিফা প্রেসিডেন্টের বিদায় নিশ্চিত? ◈ বিশ্বকা‌পের পর সে‌প্টেম্ব‌রে লড়াইয়ে নাম‌ছে আর্জেন্টিনা, ম্যাচের নতুন সূচি প্রকাশ ◈ দেশের তরুণরা যেন এই স্মৃতির লেখক হয়, আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে চলে গেলাম: ড. ইউনূস ◈ জোকো‌ভি‌চের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ হাজার কোটি টাকা আছে,  জরিমানায় কিছু যায়-আসে না, বল‌লেন‌ টে‌নিস তারকা জ্বেরেব ◈ আইপিএলে খেলার লোভ কর‌তে গি‌য়ে বিপাকে পাকিস্তা‌নের পেসার! নিজের দেশের লিগে খেলা নিয়েই সংশয় ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন, কাল থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ◈ আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ২০৪৫ সালের মধ্যে ঢাকায় ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের পরিকল্পনা ◈ বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহী তুরস্কের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ◈ ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় কর্মী পাবেন সরকারি মাসিক ভাতা

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৪৩ সকাল
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ

কলকাতার আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ১৯ ঘণ্টা পার হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত ধিকিধিকি করে আগুন জ্বলছিল ওই এলাকার দুটি বিশাল গুদামে।

সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে সাতটি দগ্ধ দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে উদ্ধার করা হয়েছিল পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যাওয়া তিনটি দেহ। তবে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলো মানুষের কি না, তা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। ভিসেরা রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ও পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দেয়া যাবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৩টা নাগাদ ওই গুদামগুলোতে আগুন লাগে। গুদাম দুটি একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বলে জানা গেছে। সেখানে কোমল পানীয় ও শুকনো খাবারের প্যাকেট মজুত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, ওই দুই গুদামের ভেতরে একাধিক শ্রমিক রাতে ঘুমাচ্ছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা ভেতরেই আটকে পড়েন।

আগুন নেভাতে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়। দমকল ও পুলিশকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। তবুও সোমবার রাত পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২০টি পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। নিখোঁজদের অধিকাংশই ওই গুদামে কর্মরত শ্রমিক বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে কতজন জীবিত রয়েছেন, সে বিষয়ে প্রশাসন কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি।

বারুইপুর থানার পুলিশ জানায়, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে আগুন লাগল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না এবং রাতে কেন শ্রমিকরা গুদামের ভেতরে ছিলেন, এসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে রাজ্য সরকারের একাধিক প্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পৌঁছেছেন। দমকলমন্ত্রী জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন, যদিও রাজ্য সরকার তা মানতে নারাজ। আনন্দপুরের এই অগ্নিকাণ্ডকে কলকাতার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। মৃত ও নিখোঁজদের সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়