শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রথম ভিডিও বার্তা, যা বললেন ◈ বিশ্বকাপ বর্জন কর‌বে না পা‌কিস্তান, খেল‌বে না শুধু ভারতের বিরু‌দ্ধে! ◈ ভারত থেকে স‌্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের ব্যাগি গ্রিন ক‌্যাপ ফেরালো অস্ট্রেলিয়া ◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১১ সকাল
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবসর নিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে মহাকাশচারীদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আইএসএসের কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো কোনো বেসরকারি বিকল্প মহাকাশ স্টেশন প্রস্তুত হয়নি।

নাসার লক্ষ্য লো-আর্থ অরবিটে মহাকাশচারীদের ধারাবাহিক উপস্থিতি বজায় রাখা। তবে বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনের পরিকল্পনা ও কারিগরি নিয়মাবলি প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় পরবর্তী প্রজন্মের স্টেশন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পূর্ণমাত্রায় কাজ শুরু করতে পারেনি।

বর্তমানে নাসার সঙ্গে চুক্তির জন্য চারটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় রয়েছে—ভয়েজার টেকনোলজিস, অ্যাক্সিওম স্পেস, ব্লু অরিজিন ও ভাস্ট স্পেস। চলতি বছরের শেষ দিকে নাসা এক বা দুটি প্রতিষ্ঠানকে বড় পরিসরের চুক্তি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আইএসএসের কার্যকাল শেষ হতে আর মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকলেও বাণিজ্যিক স্টেশনের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত কারিগরি নির্দেশনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।

এই প্রতিযোগিতায় ভাস্ট স্পেস দাবি করেছে, তারা ‘হেভেন-১’ নামের একটি ছোট আকারের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে এগিয়ে রয়েছে। মূলত স্বল্পমেয়াদি মিশনের জন্য নকশা করা এই স্টেশন ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভাস্ট স্পেসের প্রধান নির্বাহী ম্যাক্স হাফট জানিয়েছেন, হেভেন-১–এর মূল কাঠামো তৈরি হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর এটি প্রথমে মানববিহীন অবস্থায় মহাকাশে কার্যক্রম শুরু করবে। পরে পৃথিবী থেকে এর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সবকিছু সন্তোষজনক হলে স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলে করে নভোচারীদের সেখানে পাঠানো হবে। স্টেশনটি প্রায় তিন বছর সক্রিয় থাকবে এবং এতে দুই সপ্তাহ মেয়াদি একাধিক মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাসা যদি দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়, তবে আইএসএসের অবসর এবং নতুন বাণিজ্যিক স্টেশনের কার্যক্রম শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হতে পারে। এতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মহাকাশে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আইএসএসের মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়ানো হবে, নাকি দ্রুত বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করা হবে—সে বিষয়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, বিবিসি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়