শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ সকাল
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারী খাবারের পর মিষ্টি না কি টক দই? কোনটা খাবেন

বিয়েবাড়ি কিংবা পার্টিতে যে অনুষ্ঠানেই হোক না কেন, বাঙালির খাবারের টেবিলে চাই দই।  এটি আমাদের অনুষ্ঠানে বাড়তি আনন্দ দেয়। ভাত, মাছ কিংবা মাংসের ভারি খাবারের পর এক বাটি ঠান্ডা দই না হলে কি চলে? অনেকের কছে খাবারই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

আর বিয়েবাড়ির দাওয়াতে শেষ পাতে মিষ্টি দই থাকাটা যেন অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। ঈদ, দাওয়াত কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে মিষ্টি দইয়ের জনপ্রিয়তা আরও বেশি। ভারি খাবারের পর দই খেলে হজম ভালো হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো— যে দই আমরা খাচ্ছি, সেটি কি সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী?

advertisement

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতে, দই অবশ্যই ভালো খাবার। তবে মিষ্টি দই আর টকদই এক নয়। খাবারের পর কোন দই খাচ্ছেন, সেটিই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খাবারের পর কোন দই বেশি উপকারী— এ বিষয়ে লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার ও বিডিএন পল্লবী ডায়াবেটিস সেন্টারের ডায়াটেশিয়ান ইসরাত জাহান ডরিন বলেছেন, আমাদের অনেকেরই ধারণা খাবারের পর দই খেলেই হজম ঠিক হয়ে যাবে। তাই বেশিরভাগ মানুষ মিষ্টি দই খেয়ে থাকেন, বিশেষ করে বিয়েবাড়ির মতো আয়োজনে তো বটেই।

তিনি বলেন, কিন্তু ভারি খাবারের পর মিষ্টি দই খাওয়া শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। এ সময় টকদই খাওয়া ভীষণ উপকারী। এ ডায়াটেশিয়ান বলেন, দই তৈরিতে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া কাজ করে, তার মধ্যে ল্যাকটোব্যাসিলাস আমাদের অন্ত্রে প্রাকৃতিকভাবেই থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া হজমে সাহায্য করে এবং প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে থাকে। টকদইয়ে এই ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় অবস্থায় থাকে। ফলে তা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে।

advertisement

আর মিষ্টি দই তৈরির সময় চিনি যোগ করার কারণে এবং প্রক্রিয়াজাত হওয়ার ফলে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া অনেক সময় নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে মিষ্টি দই হজমে তেমন সাহায্য করতে পারে না। সব মিলিয়ে এককথায় বলা যায়, খাবারের পর দই খাওয়ার অভ্যাস খারাপ নয়। তবে সুস্থ থাকতে চাইলে মিষ্টি দইয়ের বদলে টকদই বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে হজম ভালো হবে এবং শরীরও সুস্থ থাকবে বলে জানিয়েছেন ডায়াটেশিয়ান ইসরাত জাহান ডরিন।

তিনি বলেন,  আর মিষ্টি দইয়ে অতিরিক্ত চিনি ও ফ্যাট থাকে, যা নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করে। ডায়াবেটিস বা ওজন সমস্যায় ভোগা মানুষের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর হতে পারে।

advertisement

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন টকদই বেছে নেওয়া ভালো—

টকদই হজমে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে আন্ত্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে। আর ওজন বাড়ার ঝুঁকিও কম থাকে। এ ছাড়া গ্যাস ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে টকদই।

  • সর্বশেষ