শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০৫ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিভার ও কিডনি বিষমুক্ত করতে জাদুর মতো কাজ করে কুল

মৌসুমি ফল কুল। যে ফলের ছাপ আর কোনো ফলের গায়ে রয়েছে কিনা জানা নেই। কুল হলো সেই ফল যা খেলে কোনো ক্ষতি নেই। বরং তা শরীরকে প্রকৃত অর্থেই শুচি অর্থাৎ পরিচ্ছন্ন বা ময়লামুক্ত করতে সাহায্য করে থাকে। সাধারণত মাঘ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে কুল উঠতে শুরু করে। মৌসুমি এ ফল টাটকা অবস্থায় পাওয়া যায় ফাল্গুন-চৈত্র পর্যন্ত। শুকনো কুল অবশ্য তারপরও অনেক দিন মেলে আর কুলের আচার পাওয়া যায় সারা বছর। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বা বিষমুক্ত করতে অথবা চলতি ভাষায় বললে ‘ডিটক্স’ করতে কুল অত্যন্ত উপকারী।

পুষ্টিবিদ রিচা দোশি বলেছেন, কুল বসন্তের সময়ে গোটা দেশেই পাওয়া যায়। কুল শরীরকে ময়লামুক্ত করে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ত্বকও ভালো রাখতে সাহায্য করে।

advertisement

কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। কুলে আছে ভিটামিন সি এবং ফেনোলিক জাতীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যেমন ক্যাফিক অ্যাসিড, ফেরিউলিক অ্যাসিড ইত্যাদি। এগুলো শরীরে থাকা মুক্ত দূষিত কণা বা ফ্রি র্যাডিক্যালকে শরীর থেকে দূর করে দেয়। এর ফলে কোষের ক্ষতি কম হয়। কোষ সুস্থ থাকে। বাড়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও।

আর শরীর ডিটক্স করার প্রধান দুটি প্রত্যঙ্গের একটি হলো লিভার। কুলে রয়েছে ট্রিটারপেনিক অ্যাসিড ও বেরবেরিন, যা লিভারকে দূষণমুক্ত রাখে। কুলের রসে থাকা এক ধরনের সাইটোপ্রোটেক্টিভ এজেন্ট লিভারের বাইরে সুরক্ষা আস্তরণ তৈরি করতে পারে, যা অ্যালকোহল থেকে হওয়া ক্ষতির হাত থেকেও লিভারকে বাঁচাতে পারে। কুল লিভারে এনজাইমের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে তা থেকে লিভারের কোষের ক্ষতি হতে পারে না। বিশেষ করে যাদের ফ্যাটি লিভারের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য কুল উপকারী।

advertisement

আবার কিডনিও শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদ রিচা বলেছেন, কুলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এর ডাইইউরেটিক ক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ এটি শরীরে জমা পানি প্রস্রাবের মাধ্যমে বার করে দিতে সাহায্য করে। ফলে কিডনির কাজে সুবিধা হয়। 

এ ছাড়া রক্ত পরিশ্রুত করে। কুলের রসে কিছু ক্ষারজাতীয় পদার্থ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যেমন— ফ্ল্যাভোনয়েড, স্যাপোনিন, পলিস্যাচারাইড ইত্যাদি। এগুলো সরাসরি রক্ত থেকে টক্সিন বা ক্ষতিকারক উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া উন্নত করে, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

advertisement

তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের শুকনো টোপা কুল খাওয়ার আগে সচেতন হওয়া উচিত। কারণ তাতে চিনির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এ ছাড়া অতিরিক্ত কুল খেলে পেটফাঁপা বা হজমের সমস্যা হতে পারে। কুল শুকনো অথবা কাঁচা দুভাবেই খেতে পারেন। তবে দিনে ৬-৭টির বেশি খেলে অনেকের হজমের সমস্যা হতে পারে।

  • সর্বশেষ