প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] লকডাউনে মদের দোকান খোলা থাকবে ভারতের কেরালায়

সালেহ্ বিপ্লব : [২] মদপান যাদের অভ্যাসগত, তারা ঠিক সময়ে মদ গিলতে না পারলে কী যে কষ্টে ভোগেন, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ঘরে বাইরে নানা অশান্তি করেন অনেকে। শারীরিক কষ্ট আর মানসিক অবসাদ সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথও বেছে নেন কেউ কেউ, প্রমাণ ভুরি ভুরি। এইসব বিবেচনায় ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে মদ কেনার অনুমতি দিয়েছে কেরালার রাজ্য সরকার। আনন্দবাজার, মহানগর২৪, এনডিটিভি

[৩] লকডাউনে কঠিন এক অবস্থায় পড়েছেন মদ্যপায়ীরা। ফোনে খোঁজ করে দেখেছেন, কোথাও মেলে কি না। চেনা-পরিচিত মদের দোকানের মালিকদের ফোন সারা দিন বেজে যাচ্ছে, দাদা, কিছু একটা ব্যবস্থা করুন, প্লিজ়!

[৪] মাথায় দুষ্টুমিভরা কিছু লোক তাদের এই ‘মহাবিপদে’ নানা রকম রসিকতা করছেন। কেউ কেউ হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিয়ে জানাচ্ছেন, অমুক জায়গায় অমুক দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মদের দোকান খোলা থাকবে। গুজব শুনে অনেক জায়গায় মদের দোকানের সামনে লাইন পড়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় হতাশ ক্রেতাদের।

[৫] এই পরিস্থিতিতে সোমবার রাতে কেরালা সরকার  একটি নির্দেশ জারি করে। এতে বলা হয়েছে, ‘উইথড্রয়াল সিম্পটম’ দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেনো স্বাস্থ্য কেন্দ্র, জেলা বা সদর হাসপাতাল কিংবা কোনও মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।

[৬] নির্দেশিকায় জানিয়ে দেয়া হয়েছে, তেমন কোনও ব্যক্তিকে যদি চিকিৎসকরা প্রেসক্রিপশন দেন যাতে লেখা তিনি ‘উইথড্রয়াল সিম্পটম’-এর শিকার, তাহলে তাঁকে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে মদ দেওয়া যেতে পারে।

[৭] বলা হয়েছে, নিকটবর্তী আবগারি দপ্তরে ওই প্রেসক্রিপশন জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে ওই ব্যক্তির সরকারি পরিচয়পত্র। এর পরে তিনি একটি পাস পাবেন। তবে এই ব্যক্তিদের মদ বিক্রি করতে মদের দোকান খুলে রাখার দরকার নেই বলেও জানানো হয়েছে।

[৮] সরকারের এ পদক্ষেপের নিন্দা করেছে ‘ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের সভাপতি আব্রাহাম ভার্গেসে বলেচেন, যাদের মধ্যে উইথড্রয়াল সিম্পটম দেখা যাচ্ছে, তাদের বিজ্জানসম্মত ভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব যা বাড়িতেও করা সম্ভব অথবা হাসপাতালে ভর্তি রাখার কথা।’

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত