শিরোনাম
◈ বড় পরিবর্তন আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে ◈ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি জারি, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ◈ আমিরাতে ভিসা বাতিল ৪ হাজার বাংলাদেশির, কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা ◈ আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয় রেহানা: দ্য ওয়ালকে শেখ হাসিনা ◈ ওয়ান ইলেভেন কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের দি‌কে পু‌লি‌শের চোখ ◈ এই ৯ ধরনের খরচের তথ্য আয়কর রিটার্নে না দিলেই বিপদ    ◈ তারেক রহমানের দিল্লি সফর ঠেকাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘প্রভাবশালী লবি’! ◈ শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনার সংস্কৃতি কী বার্তা দিচ্ছে? ◈ ভ‌্যা‌লে‌ন্সিয়ার জা‌লে বার্সেলোনার ৫ গোল  ◈ চেল‌সির বিরু‌দ্ধে অ‌নেক লড়াই ক‌রে জিত‌লো আর্সেনাল

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:২৩ সকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:২৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে নারীর যৌনতার জ্ঞান নাই, আগ্রহ নাই, সেই নারী হয় অস্বাভাবিক অথবা তিনি সতী, আর সতী মাত্রই ভন্ড

মুনমুন শারমিন শামস্ : একবার একজন বেশ সিনিয়র লেখক (নারী) তার ফেসবুক পোস্টে লিখলেন, তিনি নাকি কেনোদিন পর্নো দেখেন নাই। কোনোদিন কোনো চটি পড়ে দেখেননি। সেটা হতেই পারে। হয়তো হাতের কাছে পাননি। কিন্তু তার পোস্ট পড়ে বুঝা গেলো, এই যে তিনি চটি পড়েননি বা পড়েন না, কিংবা তিনি যে পর্নো দেখেননি বা দেখেন না, সেইটা নিয়া তার মধ্যে বিরাট এক গর্ব আছে। এই গর্বের নাম শুদ্ধতার গর্ব। বাংলার আপামর নারী সমাজ এই শুদ্ধতার ভ-ামি কইরা গর্বিত হওয়ার স্বভাব নিয়াই জন্মায় সম্ভবত। তো আমি সেই আপারে বিনীতভাবে কইলাম, আপা, আপনে একজন লেখক। লেখকের কৌতুহল থাকে বেশি। আবার তার ভ্রমণও হইতে হয় সর্বব্যাপী। তাইলে কৌতুহল থেকে কিংবা জিনিসটা কী জানার ইচ্ছা থেকেও কি কোনোদিন দেখেননি বা পড়েন নাই? অন্তত একজন লেখক তো লেখার স্বার্থেও চটির দুনিয়া ঘুরে দেখতে পারে! আপনার কী মনে হয়? তিনি কইলেন, তার নাকি জীবনেও এই ইচ্ছা হয় নাই। আমি মেনে নিলাম।

কিন্তু এই বক্তব্যের সঙ্গে তার যে দেমাগটুকু সেইটা নিলাম না। হয় তিনি ভ- অথবা একজন নির্জীব কৌতুহলহীন মানুষ। কৌতুহলহীন মানুষ কখনো লেখক হইতে পারে না। আর এই সর্বব্যাপী অনলাইনের যুগে একজন মানুষের চোখে পর্নো বা চটি কোনোদিন দুর্ঘটনাবশতও ধরা দিলো না, তাইলেও সেই একই কথা কইতে হয়, তিনি যথেষ্ট নেট ব্রাউজও করেন না। তো, সেই আপা আমারে বহুকাল আগেই ব্লক দিয়া রাখছেন। সম্ভবত আমার অশ্লীল কথাবার্তা তার সতী হৃদয়ে নিয়ত আঘাত হানতো। তার পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যাইতো। সম্ভবত এই সতীত্বই তার জীবনের একমাত্র সম্পদ। আমার যেহেতু এই সম্পদ নিয়া মাথাধরা নাই, তাই আমি দিলখুশ চিত্তে কইতে পারি, পর্নো আমি দেখেছি। চটিও পড়েছি। অন্তত জিনিসটা কী, এই প্রশ্ন আমার মাথায় আসছে বলেই আমি দেখেছি ও পড়েছি।

বাংলার আপামর নারী জাতির জীবনে সতীত্ব যতোখানি মোহ, আমার কাছে সতীত্ব ততোটাই ঘেন্নার ও পরিত্যাজ্য। এই সতীত্বের ভাব লয়া বাংলার আপামর সতী আপারা কুতু কুতু ছোনাবাবু হয়া বরের বুকে মুখ লুকায়া নুকুপুষু করে। এই সতীত্ব দেখায়া অন্যের ঘাড়ে বইসা খায়। শক্ত ও ঝামেলার কামগুলা পুরুষরে দিয়া করায়। এরপর একদিন যখন বোরিং বোরিং লাগে, তখন মাথায় বান্ধাকপি বাইধা বাইরে ডেটিংয়ে যায়। বান্ধাকপির নিচে তাদের সতীত্ব সহিসালামতে থাকে। বাসায় আইসা আবার সতীত্ব দিয়া সব আদায় কইরা নেওয়া যায়। যে নারীর যৌনতার জ্ঞান নাই, আগ্রহ নাই, সেই নারী হয় অস্বাভাবিক অথবা তিনি সতী। আর সতী মাত্রই ভ-, এইটা যেদিন মাথায় ঢুকবে সেইদিন বাংলার আপামর আপ্পি সমাজের চক্ষু খুইলা মগজে আলো প্রবেশ করবে । ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ