ডেস্ক রিপোর্ট : জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে আসে ইরান ও যুক্তরাজ্য। এরপর তেহরান তো হুমকি দিয়েই বসে ব্রিটিশকে কোনো ছাড় নয়।
তবে বাগে পেয়েও বদলা নেয়নি ইরান। ফলে ব্রিটিশ পতাকাবাহী সুপার ট্যাঙ্কার ‘প্যাসিফিক ভয়েজার’ নিরাপদে উপসাগরীয় এলাকায় থেমেছে বলে শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা।
ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ড বাহিনী অবশ্য সুপার ট্যাঙ্কারটি আটকের তথ্য আগেই নাকচ করে।
ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিন বাহিনী ইরানের সুপার ট্যাঙ্কার গ্রেস-১ জিব্রাল্টারে আটক করার পর গতকাল শুক্রবার রেভ্যুলুশনারি গার্ডের এক কমান্ডার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ব্রিটিশ জাহাজ আটকের হুমকি দিয়েছিলেন।
সিঙ্গাপুর থেকে সৌদি আরব যাওয়ার পথে ‘প্যাসিফিক ভয়েজার’ ইরানের নাগালেও এসেছিল। তবে সেটি তারা আটক না করে ছেড়ে দিলে উপসাগরীয় অঞ্চলে গিয়ে থামে।
ব্রিটিশ জাহাজ চলাচলবিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও রয়টার্সকে জানায়, পরবর্তী বন্দরে পৌঁছানোর সময় ঠিক করে নিতে জাহাজটি রুটিন মাফিক সেখানে থেমেছে।
উপসাগরীয় এলাকায় জাহাজ চলাচল সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ইউকেএমটিও ওই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
শনিবার ইরানের আলেম মোহাম্মদ আলি মুসাভি বলেন, গ্রেস-১ আটকানোর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তেহরান কী করতে পারে, তা নিয়ে ব্রিটেনের ‘শঙ্কিত’ হওয়া উচিৎ।
গতমাসে পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালীর কাছে কয়েকটি তেলের ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের পর থেকে সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সম্প্রতি আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরান একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করায় উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও তেহরান তা অস্বীকার করে আসছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করায় সেখানে বৃহত্তর যুদ্ধের সম্ভাবনাও বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উৎসঃ poriborton