শিরোনাম
◈ ইরানে হামলায় পশ্চিমাদের প্রকাশ্য উসকানি ছিল, অভিযোগ রাশিয়ার ◈ বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন, স্থাপন করা হয়েছে ৩টি উদ্ধার ক্যাম্প ◈ বিশ্বকাপে ফুটবল ভক্তদের কাণ্ড! ম্যাচের আগে ভিডিও দেখতেই লাখ ডলার আয় ইনফ্লুয়েন্সারের ◈ বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা জোরদার, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ◈ আকাশসীমাকে অভেদ্য করতে ‘স্টিল ডোম’, ২৪ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা প্রকল্প ঘোষণা এরদোয়ানের ◈ বিদ্যুৎহীন সেন্টমার্টিন, ল্যাম্প-মোমবাতির আলোয় রাত কাটছে দ্বীপবাসীর ◈ কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ায় ৫ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন, মিলছে ১৭৯ মেগাওয়াট ◈ চট্টগ্রামে শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ◈ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আইএমএফের শর্ত কতটা চ্যালেঞ্জের? ◈ ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সকে হাসিনা

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৫ রাত
আপডেট : ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বন্যা পূর্বাভাস: পাঁচ জেলায় বন্যা, আরও পাঁচ জেলায় সতর্কতা

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও উজানের বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার সর্বশেষ পানি সমতল পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেনী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার, সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রটি।

এর আগে, দুপুরে জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলার কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিনে এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায়ও আগামী পাঁচ দিনে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব নদীর পানি আপাতত বিপদসীমার নিচেই থাকতে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী দুই দিনে এ অববাহিকার পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে। তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের পানি আগামী দুই দিনে বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা ও আশপাশের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থেকে মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু নদী সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়