শিরোনাম
◈ ‘গণঅভ্যুত্থান নিউটনের আপেল নয়, ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল’ ◈ সাড়ে ছয় বছরে ১৬ হাজার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, নিহত ১৫ হাজার ৭১২ ◈ ‘তারেক রহমানকেও জেআইসি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল’ (ভিডিও) ◈ তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর ফের গ্রেফতার ◈ জুলাই জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের সেগমেন্ট সরানোর অভিযোগ নাহিদের ◈ বিদেশমুখী হতে হবে না, দেশেই উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসরভাতার টাকা পাবেন যেভাবে ◈ পলাতক আ.লীগ নেতারা ভারতে যেভাবে দিন কাটাচ্ছেন! ◈ রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের উপর ১০০% শুল্ক! ট্রাম্প আইন আনছেন, মার্কিন সেনেটে বিল পাস  ◈ রদ্রিকে পেতে রিয়াল-বার্সার লড়াই, শেষ পর্যন্ত কে জিত‌বে?

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:১৭ দুপুর
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাড়ে ছয় বছরে ১৬ হাজার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, নিহত ১৫ হাজার ৭১২

দেশে গত সাড়ে ছয় বছরে ১৬ হাজার ৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৪ হাজার ১৪৩ জন।

শনিবার (৮ আগস্ট) গণমাধ্যমে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট দুর্ঘটনার মধ্যে ৩ হাজার ৫৪৮টি (২২ দশমিক ০৮ শতাংশ) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫ হাজার ৪৯৭টি (৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ) মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং ৬ হাজার ৩১৪টি (৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ) ভারী যানবাহনের ধাক্কার কারণে ঘটেছে। অন্য কারণে ঘটেছে ৭০৬টি দুর্ঘটনা।

বছর ভিত্তিক দুর্ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা তুলে ধরে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানায়, ২০২০ সালে ১ হাজার ৩৮১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে।

এসব দুর্ঘটনায় ওই বছর প্রাণ হারান ১ হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে ২ হাজার ৭৮টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ২ হাজার ২১৪ জন, ২০২২ সালে ২ হাজার ৯৭৩টি দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৯১ জন, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৫৩২টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৭৬১টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ হাজার ২৯টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন।

এসব দুর্ঘটনার জন্য পণ্যবাহী যানবাহনকে দায়ী করছে সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৬ হাজার ৪৮১টির জন্য ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরি দায়ী। মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য। এছাড়া বাস ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ, থ্রি-হুইলার ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ ২ দশমিক ৭২ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের বয়স ভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। 

প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও নজরদারির ঘাটতি, সহজ-সাশ্রয়ী গণপরিবহনের অভাব এবং অসহনীয় যানজটকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়