শিরোনাম
◈ গ্যাস লিকেজ: এক বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু, নিঃশেষ একটি পরিবার ◈ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসি-স্পিকার বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে রোডম্যাপ ◈ গোপনে কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি ◈ জামায়াতের ১১ দলীয় জোটে ভাঙন: ছোট হয়ে আসছে জোট ◈ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নেশা করতে করতে এখন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে: রাশেদ খান (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের নবনিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ ◈ ‘নার্স গালাগালি করে’ শরণখোলায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে রোগীর নালিশ (ভিডিও) ◈ ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রহ্লাদ যোশীর নাম ঘোষণা ◈ ব্যাংকিং খাতে চাপ বাড়ছে, খেলাপি ঋণের অ্যাকাউন্ট ৪৫.৮৩ লাখ ◈ লঘুচাপের প্রভাবে টানা ৫ দিন বৃষ্টি, সতর্কতা বন্দরে

প্রকাশিত : ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০২:৩৭ রাত
আপডেট : ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্যাস লিকেজ: এক বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু, নিঃশেষ একটি পরিবার

 রাজধানীর ভাটারা নতুনবাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে। স্বামী শাহিন ও তাদের ভাগ্নি হাফসা আক্তারের মৃত্যুর পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১)।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে তার স্বামী শাহিন (২৪) এবং বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের ভাগ্নি হাফসা আক্তার (৮) মারা যায়। শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফসার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নতুনবাজারের ১০০ ফিট সড়ক এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন, তার স্ত্রী ফাহিমা এবং ভাগ্নি হাফসা দগ্ধ হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম উদ্দিন জানান, শাহিন একটি কাপড়ের শোরুমে চাকরি করতেন। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে দেখেন, ঘরের ভেতরে থাকা তিনজনই দগ্ধ হয়েছেন। পরে দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বাসাটিতে গ্যাস সংযোগ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পাইপলাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল। ভোরে আগুনের কোনো উৎসের সংস্পর্শে আসতেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

ফাহিমার চাচি শামীমা সুলতানা অভিযোগ করেন, প্রায় এক মাস আগে তারা ওই বাসায় ভাড়া ওঠেন। বাসায় ওঠার পর থেকেই গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানালে তিনি একবার পাইপ মেরামত করান। কিন্তু পরে আরও কয়েকবার লিকেজ দেখা দিলেও স্থায়ীভাবে তা মেরামত করা হয়নি। বাড়িওয়ালার অবহেলা ও গাফিলতির কারণেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ফাহিমার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়। তার বাবার নাম গোলাম মোর্শেদ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়