রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অফিস সহকারী মোশাররফ হোসেন স্কাইয়ের বিরুদ্ধে ভুয়া শিক্ষাগত সনদ দিয়ে চাকরি গ্রহণ, নথি গায়েব, অবৈধ উপায়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া এবং সরকারি কর্মচারী হয়েও রাজনৈতিক দলের দলীয় মনোনয়ন নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদকের সঙ্গে কথোপকথনে অভিযুক্ত মোশাররফ তার নাম ও পরিচয় আড়ালের চেষ্টা করেন এবং প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা যায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে পুলিশে চাকরি করার সময় সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরবর্তীতে তিনি রাজউকে অফিস সহকারী হিসেবে যোগ দেন।
একজন নিম্নপদের কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও রাজধানীর ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় তার একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও বিপুল অর্থ-সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ক্ষমতার দাপটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনের দলীয় মনোনয়ন ফরম কেনার প্রমাণ (রসিদসহ) সাংবাদিকদের হাতে রয়েছে।
সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অনিয়ম, সনদ জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করলে তিনি উত্তর না দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ভিডিও ক্যামেরা এড়িয়ে পালানোর চেষ্টা চালান।