শিরোনাম
◈ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিদেশি কোম্পানির প্রবেশ সহজ করতে ৫১% মালিকানার শর্ত বাদ দিচ্ছে বেবিচক ◈ ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও ভাতা দিচ্ছে সরকার, কে কত পাবেন? ◈ আগস্টে ৫১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮১ ◈ সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতার রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ বড় পরিবর্তন আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে ◈ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি জারি, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ◈ আমিরাতে ভিসা বাতিল ৪ হাজার বাংলাদেশির, কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা ◈ আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয় রেহানা: দ্য ওয়ালকে শেখ হাসিনা ◈ ওয়ান ইলেভেন কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের দি‌কে পু‌লি‌শের চোখ ◈ এই ৯ ধরনের খরচের তথ্য আয়কর রিটার্নে না দিলেই বিপদ   

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪২ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্রেতারা (বায়াররা) পণ্যের দাম বাড়াতে রাজি নন, অথচ দেশে উৎপাদন ব্যয় ও শ্রম খরচ বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় জনবল কমানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তা হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে আজাদ। সম্প্রতি চ্যানেল একাত্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী কমাব।

একে আজাদ জানান, তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ কাজ করেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তার ভাষ্য, দেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতি (ইনফ্লেশন) হচ্ছে। এর ফলে শ্রমিকদের বেতনও নিয়মিত বাড়াতে হয় এবং প্রতি বছর প্রায় ৯ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বায়াররা পণ্যের দাম বাড়াতে বা অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে আগ্রহী নন।বরং তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর জোর দিচ্ছেন এবং কম জনবল দিয়ে কাজ পরিচালনার পরামর্শ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে ৭৫ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কর্মী কমানোর পরিকল্পনা করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একে আজাদ বলেন, শিল্প ও রপ্তানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে আরও দূরদর্শী নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং কর্মসংস্থান ধরে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়বে।

  • সর্বশেষ