শিরোনাম
◈ ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও ভাতা দিচ্ছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ আগস্টে ৫১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮১ ◈ সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতার রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ বড় পরিবর্তন আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে ◈ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি জারি, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ◈ আমিরাতে ভিসা বাতিল ৪ হাজার বাংলাদেশির, কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা ◈ আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয় রেহানা: দ্য ওয়ালকে শেখ হাসিনা ◈ ওয়ান ইলেভেন কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের দি‌কে পু‌লি‌শের চোখ ◈ এই ৯ ধরনের খরচের তথ্য আয়কর রিটার্নে না দিলেই বিপদ    ◈ তারেক রহমানের দিল্লি সফর ঠেকাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘প্রভাবশালী লবি’!

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৯ দুপুর
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:১৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দিল্লিতে ভবনধসের কারণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, নিহত বেড়ে ৬

দিল্লির সত্য নিকেতন মার্কেট এলাকায় পাঁচতলা একটি ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে  ছয়জন। এ ঘটনায় আরও  ছয় শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (৭ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে ভবন ধসের কারণ হিসেবে বেসমেন্টে চলমান খননকাজকে দায়ী করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। খবর বিবিসি বাংলার। 

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভবনটিতে সংস্কারের কাজ চলছিল। একই সময়ে এর বেসমেন্টে খননকাজ করা হচ্ছিল। এতে একটি স্তম্ভ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে ভবনের কাঠামো দুর্বল হয়ে পুরো ভবনটি ধসে পড়ে। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের রেখা গুপ্তা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। উদ্ধারকারীসহ বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এ পর্যন্ত ১১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভবনের ভেতরে আরও কেউ, বিশেষ করে শিশু, আটকে আছে কি না এবং তাদের দ্রুত জীবিত উদ্ধার করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার জন্য যে-ই দায়ী হোক না কেন,ভবনের মালিক কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।

রেখা গুপ্তা বলেন, ভবনটি পুরোনো ছিল এবং সেখানে সংস্কারের কাজ চলছিল। বেসমেন্টে খননকাজের সময় একটি স্তম্ভ কেঁপে ওঠে। এর পরই ভবনটি ধসে পড়ে।  এর আগে রবিবার বেলা ১টা ৩৪ মিনিটের দিকে নয়াদিল্লির দক্ষিণ ক্যাম্পাস থানায় ভবনধসের খবর আসে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে ৪০ থেকে ৫০ শিক্ষার্থী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভবনধসের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া সর্বভারতীয় আয়ুর্বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান (এআইআইএমএস) জানায়, ভবনধসের ঘটনায় তাদের ট্রমা সেন্টারে ১০ জনকে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। গুরুতর আহত আরও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ধসে পড়া ভবনটি ছেলেদের পেইং গেস্ট (পিজি) হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রত্যক্ষদর্শী একজন বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, পাঁচতলা ভবনটির নাম হোস্টেল ডেজ। এটি ছেলেদের থাকার জন্য ব্যবহৃত হতো। অতিরিক্ত ডিসিপি অভিমন্যু পোসওয়াল জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভবনের মালিকের পরিচয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ