শিরোনাম
◈ শ্রম খাতে সংস্কার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-আইএলও ◈ এনজোর লাল কার্ডই কি আর্জেন্টিনার হা‌রের কারণ?  ◈ কও‌মি ধারার ক‌য়েক‌টি রাজ‌নৈ‌তিক দলের জামায়াত জোট থেকে বের হ‌য়ে হেফাজতে ইসলামে একজোট হওয়ার চেষ্টা ◈ তোমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই ক‌রে‌ছো, তোমা‌দের ধন‌্যবাদ, হারের পরও মেসিদের পাশে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ◈ কুমিল্লায় মহাসড়কে ৫ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ সাঁড়াশি অভিযানেও অধরা ডেভিড ইমন, কোথায় আছেন তিনি? ◈ ভারত এবার ইংল্যান্ডের কা‌ছে ওয়ানডে সি‌রিজ হার‌লো  ◈ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে দুশ্চিন্তা বাড়‌লো বাংলা‌দেশ শি‌বি‌রে, লিটনের পর এখন অনিশ্চিত তারকা পেসার না‌হিদ ◈ মাত্র ১০ ডলারের চশমায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প ◈ তীব্র তাপদাহে বাংলাদেশের মানুষের দ্বিমুখী সংকট: কমছে আয়, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৫২ রাত
আপডেট : ২০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্মার্টফোনে গোপনীয়তা রক্ষায় এখনই বন্ধ করুন এই ৭ সেটিংস

স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে অসতর্কভাবে কিছু সেটিংস চালু থাকলে ব্যক্তিগত তথ্য, অবস্থান কিংবা কথোপকথন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিভিন্ন অ্যাপ বা সেবার কাছে পৌঁছে যেতে পারে। তাই গোপনীয়তা সুরক্ষায় অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস নিয়মিত যাচাই করা জরুরি।

১. ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করে। এ সুবিধা ব্যবহার না করলে সেটিংস থেকে এটি বন্ধ রাখুন। এতে গোপনীয়তা বাড়বে, পাশাপাশি ব্যাটারির ব্যবহারও কিছুটা কমবে।

২. অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন অনুমতি বাতিল করুন

অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অনুমতি চায়। ফোনের প্রাইভেসি বা পারমিশন ম্যানেজার থেকে দেখে নিন কোন অ্যাপ ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহার করছে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর অনুমতি বাতিল করে দিন।

৩. লোকেশন ট্র্যাকিং সীমিত করুন

সব সময় অবস্থান জানার অনুমতি না দিয়ে অ্যাপের জন্য অ্যাপ ব্যবহারের সময় বা প্রতিবার জিজ্ঞেস করবে—এ ধরনের বিকল্প ব্যবহার করুন। এতে অপ্রয়োজনীয় লোকেশন ট্র্যাকিং কমবে।

৪. পুরো গ্যালারির বদলে নির্দিষ্ট ছবি শেয়ার করুন

অনেক অ্যাপ ছবি আপলোডের সময় পুরো গ্যালারির অনুমতি চায়। সম্ভব হলে নির্বাচিত ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিন। এতে ব্যক্তিগত ছবিগুলো আরও নিরাপদ থাকবে।

৫. ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু থাকা সীমিত করুন

অনেক অ্যাপ বন্ধ করার পরও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ রাখুন।

৬. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

হোটেল, রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি বেশি থাকে। সংবেদনশীল কাজের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করুন।

৭. সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্তকারী ফিচার বন্ধ রাখুন

কিছু ফোনে এমন ফিচার থাকে, যা সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্ত করার জন্য সক্রিয় থাকে। এ ধরনের সুবিধা প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আরও সুরক্ষিত থাকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়