শিরোনাম
◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ ◈ ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় বন্দিদশা, মুক্তিপণে দেড় কোটি টাকা দাবি ◈ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ ◈ নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ২-১এ এগি‌য়ে গে‌লো বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৮ দুপুর
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন শর্ত পূরণ হলে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক

ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিতসহ তিনটি শর্ত পূরণ করা হলে অনশন ভাঙবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ২০ দিনের বেশি সময় ধরে অনশনে থাকা ওয়াংচুক দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে থেকে হাতে লেখা এক চিঠিতে এ ঘোষণা দেন।

চিঠিতে তিনি দাবি করেন, তাকে ‘অবৈধভাবে আটক’ রাখা হয়েছে এবং তার চলাফেরা, মতপ্রকাশ ও যোগাযোগের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে।

ওয়াংচুকের প্রথম শর্ত হলো, সাম্প্রতিক নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ব্যর্থতার দায় সরকারকে স্বীকার করতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সংসদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি উত্থাপনের নিশ্চয়তা দিতে হবে। তৃতীয় শর্তে তিনি বলেন, যদি শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি আজকের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নিতে না পারেন, তাহলে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের হাসপাতালে এসে আগের দুটি শর্ত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিতে হবে।

সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা ও লাদাখ–সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করে আসছেন। গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন এবং সেদিন থেকেই অনশন শুরু করেন।

গত ১৮ জুলাই, অনশনের ২১তম দিনে দিল্লি পুলিশ তাকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে সাফদারজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর একদিন আগে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থাকে জরুরি বলে উল্লেখ করেন এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানান। একই সময়ে দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে তার জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

এদিকে, ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন। তবে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন কোনো আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ওয়াংচুক নিজে হাসপাতালে ভর্তি না হওয়ায় এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে সরকার তাকে সাফদারজং হাসপাতালে স্থানান্তর করার অধিকার রাখে।

বিচারপতি মিনি পুষ্কর্ণা বলেন, চিকিৎসকেরা তার অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তার সম্মতিতেই ওষুধ দেওয়া হয়েছে। তাই জোরপ্রয়োগ করা হয়েছে বা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে—এমনটি বলা যায় না।

ওয়াংচুকের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিবেক টাংখা জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে দ্বৈত বেঞ্চে আপিল করে জরুরি শুনানির আবেদন করা হতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়