স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের মঞ্চে জয়-পরাজয় দুটতেই থাকে। কিন্তু কিছু কিছু পরাজয় দীর্ঘদিন পরেও মুছে ফেলা যায় না। এমনই একটি ম্যাচ হলো ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যে হার এখনো ভুলতে পারেনি ভিরাট কোহলি। চার বছর পর ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালেও একইরকম হতাশার সঙ্গী হয়েছিল ভারত। তবে কোহলির কাছে ২০১৯ সালের হারের ধাক্কা ছিল আরও কঠিন।
২০১৯ সালের ম্যানচেস্টার সেমিফাইনালে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ গড়ায় দুই দিনে। নিউজিল্যান্ড ২৩৯ রান করার পর ভারত থামে ২২১ রানে। ১৮ রানের সেই হারে শেষ দিকে মহেন্দ্র সিং ধোনির রানআউট হয়ে ওঠে অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত। সেই ম্যাচের স্মৃতি এখনও কোহলিকে নাড়া দেয়।-- ডেইলি ক্রিকেট
জিওস্টারের এক অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, '২০১৯ ছিল আমাদের জন্য বড় একটি ধাক্কা। ২৪০ রান, বৃষ্টিতে সেদিন খেলা শেষ হয়নি। সেদিন খেলতে পারলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু পরদিন নতুন বল নিয়ে তাদের আক্রমণ ছিল দুর্দান্ত। তারা কন্ডিশনের সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়েছিল এবং আমাদের দ্বিধাকে কাজে লাগিয়েছিল। সেটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন ছিল। আমি ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। এরপর কয়েক মাস মানসিকভাবে পুরোপুরি বিধ্বস্ত ছিলাম।
২০২৩ বিশ্বকাপেও অবশ্য ভারত দারুণ ক্রিকেট খেলেছিল। তবে টানা জয়ের পর ফাইনালে জয়ের আশা নিয়ে নামলেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয় তাদের। কোহলির কাছে সেই পরাজয়ের কষ্টও সহজে কাটেনি।
তার ভাষ্য, 'আমি ৫৪ রানে ব্যাট করছিলাম এবং বড় একটি সেঞ্চুরির জন্য নিজেকে তৈরি করেছিলাম। মনে হচ্ছিল, ১৪০-১৫০ রান করতে পারলে আমরা ম্যাচ জেতার দারুণ অবস্থানে থাকব। কিন্তু আমি যখন আউট হলাম, কয়েক দিন ধরে সেটি মেনে নেওয়া খুব কঠিন ছিল। বারবার বিষয়টি মাথায় ঘুরছিল।
তবে অতীতের হতাশা পেছনে ফেলে সামনে তাকাচ্ছেন কোহলি। ২০২৭ বিশ্বকাপকেই ভারতের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে দেখছেন তিনি। বলেছেন, 'যতক্ষণ খেলছি, ততক্ষণ সামনে সবসময় কিছু না কিছু অর্জনের সুযোগ থাকে। ভারতের হয়ে এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ, এখন এটাই আমার অনুপ্রেরণা।