স্পোর্টস ডেস্ক : অবশেষে অভিমানের বরফ গলেছে। ইংল্যান্ডের সাদা বলের মেন্টর হিসেবে আগামী সপ্তাহে দলের সাথে যোগ দিচ্ছেন কেভিন পিটারসেন। সাদা বলের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অধীনে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ‘স্পেশাল মেন্টর’ হিসেবে।
গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের লাল বলের কোচের পদ হারান ম্যাককালাম। বর্তমানে শুধু ইংলিশদের সাদা বলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সেই কোচিং প্যানেলের শক্তি বাড়াতে ম্যাককালামের সাথে কাজ করবেন পিটারসেন।
২০১৪ সালে দল থেকে একপ্রকার তিক্ততার মধ্য দিয়ে শেষ হয় পিটারসেনের যাত্রা। এরপর থেকে আর কখনো ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা, কিংবা কোনো দায়িত্ব পালন করেননি তিনি। কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল, ইংল্যান্ডের কোচিং প্যানেলে যোগ দিতে পারেন পিটারসেন। এবার সেটাই সত্যি হলো, মেন্টর হিসেবে জো রুট-জস বাটলারদের সাথে কাজ করবেন তিনি।
জাতীয় দলের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়ে রোমাঞ্চিত পিটারসেন। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে এই দলকে সাহায্য করার প্রস্তাব পেয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম আবার ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে জড়ানো এক গভীর সম্মানের এবং অত্যন্ত বিশেষ এক মুহূর্ত। আমাদের সীমিত ওভারের দলটায় অবিশ্বাস্য প্রতিভাবান সব ক্রিকেটার রয়েছে। খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা উন্মোচনে ওদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কঠোর পরিশ্রম করতে আমি মুখিয়ে আছি। আগামী ১২ মাসের জন্য ব্রেন্ডনের থিঙ্কট্যাংকের অংশ হওয়াটা এক দারুণ সুযোগ, আর তর সইছে না কাজ শুরু করার।’
ইংল্যান্ডের হয়ে ১৩৬ ওয়ানডেতে ৪০.৭৩ গড়ে ৪৪৪০ রান করেছেন পিটারসেন। টেস্টে ১৮১ ইনিংসে ৪৭.২৮ গড়ে তার রান ৮১৮১। টি-টোয়েন্টিতেও সফল ছিলেন ইংলিশ এই ক্রিকেটার। ৩৭ টি-টোয়েন্টিতে ১৪১.৫১ স্ট্রাইকরেটে ১১৭৬ রান করেছেন তিনি।
তবে জাতীয় দলের সাথে তার বিদায় নিতে হয়েছে তিক্ততাকে সঙ্গী করে। ২০১৩-১৪ অ্যাশেজে ৫-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হওয়ার পর বাদ পড়েন তিনি। ২০১৪ সালে সিডনিতে সবশেষ টেস্ট খেলেছেন পিটারসেন। তার এক বছর আগে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি থেকেও বিদায় নেন তিনি। সব মিলিয়ে জাতীয় দলের সাথে তার শেষটা হয়েছে তিক্ততাকে সঙ্গী করে।