শিরোনাম
◈ ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে বাংলাদেশিদের ভিসা সুবিধা, জালিয়াতি নিয়ে সতর্ক করল চীনা দূতাবাস ◈ বাংলাদেশ থেকে ভারতে কেন পাট পাচার করার অভিযোগ উঠছে ◈ আজ জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন খলিলুর রহমান ◈ মুক্তাকে পেটানোর সময় সোহেল বলছিলেন, ‘কথা ক, কথা ক, তোরে আজ পিটাইয়া মাইরা ফালামু’ ◈ এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ, টাকা ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ ৪৫৯ কোটি টাকা ◈ চী‌নের ঝেং ‌কিনও‌য়েন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ইউএস ও‌পে‌নের কোয়ার্টার ফাইনা‌লে ◈ আইসি‌সির প‌রিকল্পনা : বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের বাইরেও মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান!  ◈ উয়েফার বিশেষ উদ্যোগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রতি‌টি দল নেপালের ভূমিধসে দুর্গতদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর‌বে  ◈ বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে ৬০০ মেগাওয়াটের নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ইতালিতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ দুপুর
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ, টাকা ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ ৪৫৯ কোটি টাকা

টাকার নোট ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে পুরোনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট ছাপানো হয়।

নোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য উপকরণ বিশেষায়িত ও আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হয়। দেশে নোট মুদ্রণের কাজ করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেড (এসপিসিবিএল)।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছিল ৩৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩৭৪ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৮৪ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নোট মুদ্রণে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ছাপানোর কাগজ ও কালি বিশেষায়িত হওয়ায় এসব উপকরণের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সীমিত। ফলে দাম নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ কম। বৈশ্বিকভাবে কাগজের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যার কারণেও এবার ব্যয় বেড়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি থাকা নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তনের কাজ চলছে।

তবে নতুন নকশার কারণে মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে বলে মনে করেন না আরিফ হোসেন খান। তাঁর মতে, নকশা পরিবর্তনের ব্যয় খুবই কম। মূলত কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়াই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ