শিরোনাম
◈ টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর খুলেছে বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রগুলো, দেবতাখুমের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আরও কঠিন: নিম্ন আয়ের অভিবাসন ঠেকাতে গ্রিন কার্ডে ১ লাখ ডলারের বন্ডের পরিকল্পনা ট্রাম্পের ◈ চলছে হরতাল, ঢাকা-চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের যানচলাচল বন্ধ ◈ পটুয়াখালীর খামারে আড়াই শতাধিক সাপ, বিষ থেকে তৈরি হবে জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিভেনম ◈ বাংলাদেশে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি চাইলো মানবা‌ধিকার বিষয়ক পাঁচটি আন্তর্জাতিক সংস্থা  ◈ কোনো ইসরায়েলিকে মালয়েশিয়ায় থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিশ্বকাপের ফাইনালে ফুটবলের নিয়মকানুন ভাঙবে ফিফা?  ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ৭৪ শতাংশ বেড়েছে সন্দেহজনক লেনদেন : বিএফআইইউর প্রতিবেদন ◈ ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্পনসর ছাড়াই সব দেশের নাগরিকদের জন্য মিলবে দুবাইয়ের ৫ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসা

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ দুপুর
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ভারতে মাদক পাচার করতো!

স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তান ক্রিকেট দলের কয়েকজন সদস্য ভারতে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা আরভিএস মণি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের সাবেক কোচ বব উলমার ক্রিকেটারদের মাধ্যমে মাদক পাচারের বিরোধিতা করায় তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
 
আরভিএস মণি, পুরো নাম রামাস্বামী ভেঙ্কটা সুব্রা মণি। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের একজন প্রাক্তন কর্মকর্তা এবং লেখক। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে আরভিএস মণি বলেন, 'পাকিস্তান ক্রিকেট দল বা অন্য কোনো প্রতিনিধিদল ভারতে এলে তাদের সঙ্গে মাদক নিয়ে আসতো। ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যেই এসব মাদক তখন আনা হতো। পাকিস্তানের সাবেক কোচ বব উলমার ক্রিকেটারদের দিয়ে মাদক পাচারের এই ঘটনার বিরোধিতা করেছিলেন। বিষয়টি পাচারকারীদের পছন্দ হয়নি। এরপর ২০০৭ সালে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা তো সবারই জানা।'

তিনি আরও দাবি করেন, 'ভারতে সন্ত্রাসী হামলার প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থায়ন হতো মাদক ব্যবসা থেকে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবেই ভারতে মাদক পাচারের চেষ্টা চলত। সে সময় আমরা বলতাম, জালালাবাদে যত বেশি ফলন হবে, ভারতে হামলার আশঙ্কাও তত বাড়বে।'

মণির অভিযোগ, পাকিস্তানের কয়েকজন ক্রিকেটারও তখন এই পাচার কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
 
তার ভাষায়, 'ক্রিকেটারদের মাধ্যমেও একাধিকবার মাদক পাচারের চেষ্টা হয়েছে। শোয়েব আখতার ও মোহাম্মদ আসিফ এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই দুই ক্রিকেটারই মাদক আনার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। এরপর পাকিস্তান দূতাবাস তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়।

তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি তিনি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বা সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
 
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে শোয়েব আখতার ও মোহাম্মদ আসিফ ডোপ পরীক্ষায় নিষিদ্ধ পদার্থের উপস্থিতির কারণে আলোচনায় আসেন। পরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শোয়েবকে দুই বছরের এবং আসিফকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও আপিলের পর সেই শাস্তি পরিবর্তিত হয়।

 একই ঘটনায় তারা ভারতে অনুষ্ঠিত ২০০৬ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকেও শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েন এবং পাকিস্তানে ফিরে যান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়