স্পোর্চস ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ওয়ানডে বিশ্বকাপকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপে নতুন করে নতুন দুটি ধাপ—‘সুপার সিরিজ’ ও ‘সুপার সেভেন’ যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বুধবার (১৫ জুলাই) আইসিসির বার্ষিক সম্মেলনের পর নতুন কাঠামোর ঘোষণা দেয় আইসিসি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাছাইপর্বে ১২ থেকে ১৪ নম্বরে থাকা তিনটি দল প্রথমে ‘সুপার সিরিজ’ খেলবে। সেখান থেকে একটি দল চলে যাবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে। এরপর ১২ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। পরে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চতুর্থ একটি দল নিয়ে শুরু হবে ‘সুপার সেভেন’ পর্ব। সেখানে সাতটি দেশ রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে খেলার পর সেরা চার দল সুযোগ পাবে সেমিফাইনালে।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের প্রতিটি ধাপে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব আরও বাড়াতেই এই কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রতিটি ম্যাচের প্রভাবও অনেক বেশি থাকবে। পরে অত্যন্ত ‘সুপার সেভেন’ পর্ব থেকে সেমিফাইনালের চার দল নির্ধারিত হবে।
মূলত সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একাধিক গুরুত্বহীন ম্যাচ এবং দর্শকশূন্য গ্যালারির অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়েই এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। দলসংখ্যা কমানোর পরিবর্তে শুরু থেকেই নকআউটের চাপ তৈরি করে দর্শক আগ্রহ বাড়াতে এই উদ্যোগ আইসিসির।
তবে কোন প্রক্রিয়ায় দলগুলো বিশ্বকাপে জায়গা পাবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি আইসিসি। ধারণা করা হচ্ছে, স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি ওয়ানডে র্যাঙ্কিং, বৈশ্বিক বাছাইপর্ব এবং ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ–২ থেকে দলগুলো সুযোগ পাবে। আগামী সেপ্টেম্বরে আইসিসির বৈঠকে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ও চূড়ান্ত ফরম্যাট অনুমোদন করা হবে।