শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকারে মঈন খান: অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সামনে বড় পরীক্ষা ◈ ছাত্র অবস্থায় এমপি, দুই দশক পর প্রতিমন্ত্রী শামীম লিংকন ◈ দুই প্রতিমন্ত্রী এক মন্ত্রণালয়ে ◈ ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর মিছিল, ৬ মাসে ১০০ জনের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  ◈ প্রথমবার পূর্ণমন্ত্রী হওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে ◈ মন্ত্রিসভায় রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি: কে কোন মন্ত্রণালয়ে ◈ শনিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ শ‌নিবার শুরু দ্বিতীয় টেস্ট, জিত‌লে ইতিহাস গড়বে  বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো ◈ শনিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন রাষ্ট্রপতি ◈ তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলে এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার  

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপে ম্যাচের সেরা হলে পুরস্কার পান ফুটবলাররা। কিন্তু সবার জন্য ঠিক এক পুরস্কার নয়। সামান্য পার্থক্য থাকছে। যার নেপথ্যে ধর্মীয় কারণ। বিশেষত মুসলমান ফুটবলারদের ক্ষেত্রে ফিফা পুরস্কারে পার্থক্য নিয়ে এসেছে। মিশরের মহম্মদ সালাহ কিংবা মরক্কোর ইসমায়েল সাইবাড়ি, আশরাফ হাকিমির জন্য আলাদা নিয়ম। কিন্তু কেন?

এবার বিশ্বকাপের ম্যাচ সেরার পুরস্কার হিসেবে একটি বিশেষ ট্রফি দেওয়া হয়। যার স্পনসর মিশেলব আলট্রা। যা একটি মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা। কোনও ফুটবলার ম্যাচ সেরা হলে তাদের ট্রফিতে ওই সংস্থার নাম লেখা থাকে। সেই ফুটবলার যেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন, তার পিছনে স্পনসরের লোগো থাকে। লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও এভাবেই ছবি তুলেছেন। কিন্তু মুসলিম ফুটবলারদের জন্য অন্য ব্যবস্থা।

কারণ মদ্যপান ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ। অনেক ফুটবলার সেটা খুব কঠোরভাবে পালন করেন। তাঁদের জন্য ম্যাচ সেরার পুরস্কারের ট্রফিতে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার নাম থাকছে না। বাকি ট্রফি একই থাকছে। এমনকী পিছনেও ওই সংস্থার লোগো থাকছে না। ফিফার এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে অতীত বিশ্বকাপের বিতর্ক। ২০১৮ সালে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জেরে ম্যাচের সেরা হন মিশরের মহামেদ এল শেনায়ি। সেই সময় অন্য আরেকটি মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা ম্যাচ সেরা ট্রফির স্পনসর ছিল। যে কারণে মহামেদ সেটা নিতে রাজি হননি।

২০২২-এ কিলিয়ান এমবাপে ম্যাচ সেরার ট্রফি পাওয়ার পর মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার লোগো হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। তাঁর জন্য ফাইনও দিয়েছিলেন তিনি। এমবাপে এবারও তাই করছেন। তাঁর নীতি হল, কোনও মদ বা জুয়া সংস্থার হয়ে তিনি বিজ্ঞাপন করবেন না। অন্য মুসলিম প্লেয়াররাও তাই করেছিলেন। ঘরোয়া ফুটবলে ইয়া ইয়া তোরে অনেক বছর আগেই ম্যাচ সেরার পুরস্কার হিসেবে মদের বোতলের উপহার নিতে রাজি হননি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়