শিরোনাম
◈ পুলিশে বড় রদবদল, কমিশনার-ডিআইজি-এসপিসহ বদলি ২৩ কর্মকর্তা ◈ ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন রাজনৈতিক জোকার: চিফ প্রসিকিউটর (ভিডিও) ◈ বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ◈ বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ◈ বাংলাদেশের শমিত সোম এবার খেল‌বেন পেলে-বেকেনবাওয়ারের সাবেক ক্লাব নিউ ইয়‌র্কের কসম‌সে  ◈ আওয়ামী লীগ কেন বারবার পাকিস্তান ও 'আইএসআই'য়ের কথা বলছে?  ◈ হাম-উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ জনের ◈ বরিশালে আদালতের ফটকের কাছে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ ◈ ১২ দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ, ইইউর সঙ্গেও আলোচনা শিগগির: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ জানা গেল কবে থেকে শুরু কলেজের ভর্তি আবেদন

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:৩৮ রাত
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

দ‌্য ডনের প্রতিবেদন

ক্ষতিপূরণ নয়, আই‌সি‌সি আয় থেকে বাংলাদেশকে পূর্ণ অংশ দেয়ার আশ্বাস দি‌য়ে‌ছে

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো 'বিশেষ কিছু ছিল না'; তবে এটুকু আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, আইসিসির আয় থেকে পূর্ণ অংশই বাংলাদেশ পাবে।

এ ছাড়া আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা পিসিবিকে পরামর্শ দিয়েছেন, তারা যেন বিষয়টি আইসিসির আরবিট্রেশন কমিটির সামনে তোলে অথবা আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে উত্থাপন করে এবং একই সঙ্গে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়, কারণ এটি ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়।

পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল , ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে ‘মেন ইন গ্রিন’রা মাঠে নামবে না। পরে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই বয়কটকে বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত করেন এবং এটিকে সংহতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ চেয়েছিল, তাদের সব ম্যাচ যেন ভারতের বাইরে আয়োজন করা হয়। কিন্তু আইসিসি সেই অনুরোধে রাজি হয়নি। বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশি পেসার  মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দল থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে নিরাপত্তা উদ্বেগ জানিয়ে ম্যাচ অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আবেদন করেছিল।

এদিকে আইসিসি পিসিবিকে অনুরোধ করেছে, তারা যেন ব্যাখ্যা করে দেখায় ‘ফোর্স মাজর’ (নিয়ন্ত্রণাতীত পরিস্থিতি) মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ তারা নিয়েছে। কারণ মেম্বারস পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্ট (এমপিএ) অনুযায়ী এটি আবশ্যক। উল্লেখযোগ্যভাবে, টুর্নামেন্ট শুরুর ১০ দিনেরও কম সময় আগে পিসিবি আইসিসিকে একটি ইমেইল পাঠায়, যেখানে সরকারী নির্দেশকেই এই বয়কটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে–এমনটাই জানিয়েছে ইএসপিএন-ক্রিকইনফো।

এছাড়া আইসিসির কাছে ‘ফোর্স মাজর’ বৈধভাবে প্রয়োগের সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি, অংশগ্রহণ না করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণের মানদণ্ড, এবং এমন সিদ্ধান্তের ক্রীড়াগত, বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক প্রভাব—সবকিছুর বিস্তারিত কাঠামো রয়েছে বলেও জানা গেছে।

আইসিসি পিসিবিকে জানিয়েছে, ম্যাচটি না হলে সংস্থাটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি কোনো সংঘাত চায় না। তবে তাদের সংবিধান অনুযায়ী, গুরুতর বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা আইসিসির রয়েছে।

অন্যদিকে, পিসিবির বিশ্বাস, যদি বিষয়টি বিতর্কিত পর্যায়ে গড়ায়, তাহলে তাদের অবস্থান যথেষ্ট শক্ত। কারণ অতীতে পিসিবি–বিসিসিআইয়ের একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সংক্রান্ত বিরোধ আইসিসির ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটি (ডিআরসি) পর্যন্ত গড়িয়েছিল। সেই ঘটনার একটি নজির এখানে প্রাসঙ্গিক।

ওই বিরোধটি ছিল ২০১৪ সালে দুই বোর্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে। সেখানে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার কথা ছিল, যা বিসিসিআই  পালন করেনি। ক্ষতিপূরণের দাবিতে পিসিবি শেষ পর্যন্ত মামলাটি হারলেও, পিসিবির মতে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বিসিসিআইকে সিরিজ আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার ঘটনা তাদের বর্তমান অবস্থানের পক্ষে একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করে—এমনটাই জানিয়েছে ইএসপিএনক্রিকইনফো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়